
খুলনায় নদী খননের মাটিতে চাপা পড়েছে আশ্রয়ণের শতাধিক ঘর
খুলনার ডুমুরিয়ায় আপার ভদ্রা নদী পুনঃখননের মাটি ফেলায় চুকনগর, কাঁঠালতলা ও বরাতিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্বাসন ছাড়াই ঘর হারিয়ে দেড় শতাধিক মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

খুলনার ডুমুরিয়ায় আপার ভদ্রা নদী পুনঃখননের মাটি ফেলায় চুকনগর, কাঁঠালতলা ও বরাতিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্বাসন ছাড়াই ঘর হারিয়ে দেড় শতাধিক মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

পদযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানান।

ভারতের পুনর্ভবা নদী থেকে আসা পানির ঢালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে বোরো ধানের বিশাল ক্ষতি। কৃষকরা দেনার চাপে পড়ে খাদ্যসংকটের মুখে। স্থানীয়রা নদী খনন ও সেতুর দাবি জানিয়েছেন।

জামালপুরের ব্রহ্মপুত্র নদে পানি কমে মাছহীন হয়ে গেছে, জীবিকায় সংকটে পড়েছেন নদনির্ভর মানুষ। দুদু মিয়ার মতো অনেকে ২০–৩০ বার জাল ফেলেও দু-একটা ছোট মাছ পান না। বালু উত্তোলন ও খনন সত্ত্বেও নদের অবস্থা উন্নয়ন ঘটেনি।

বংশী নদী—যে নদী একসময় খরস্রোতা ছিল, আজ প্রায় মৃত। বর্ষা ছাড়া সেখানে স্রোত নেই, অনেক জায়গায় হেঁটেই পার হওয়া যায়।

সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘নদী–নালা–খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির আওতায় ময়মনসিংহে দুটি খাল খননের কাজ উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু বাস্তবে উদ্বোধনেই আটকে আছে খাল খননের কর্মসূচি।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর আগে খনন শুরু হওয়া ব্রহ্মপুত্র নদের রুগ্ণদশাকে তুলে ধরার চেষ্টা করে সাংস্কৃতিক সংগঠন পরম্পরা।

বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক দেশ বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নদীমাতৃক দেশের নদী ও খালের নেটওয়ার্কই আজ সবচেয়ে বেশি সংকুচিত।

খাল খনন নয়, মৃত নদী পুনঃখননই বাংলাদেশের প্রকৃতি রক্ষায় দরকার। ১৯৭০-৮০ দশকে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চলা সেই মহাকর্মসূচির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। নদীকে খাল বলে চিহ্নিত করা অন্যায় ও অযৌক্তিক।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, জুলাই সনদ সংসদই বাস্তবায়ন করবে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে। গণভোটের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ খাল-নদী খননের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের নদী রক্ষায় সহায়ক নাকি প্রধান প্রতিবন্ধক? বড়াল নদীর অবমুক্তকরণ নিয়ে স্লুইসগেট অপসারণের দাবি, কমিটির সুপারিশ এবং পাউবোর অবস্থান বিশ্লেষণ করেছেন নজরুল ইসলাম এই দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে। বেড়িবাঁধের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সমাধানের পথ তুলে ধরেছেন লেখক।

১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (পাউবো) প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ইংরেজিতে ‘ইপিওয়াপদা’।