হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮১৬
ঢাকা জেলার ৬ জনের মৃত্যুসহ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন; ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা জেলার ৬ জনের মৃত্যুসহ গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন; ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুর জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে। বেকার যুবকের কর্মসংস্থান করতে হবে।
ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত চার শিশুর মধ্যে তিনজন আইসিইউ না পেয়ে মারা গেছে, একমাত্র জান্নাতুল মাওয়া মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুদের আইসিইউ বেডের তীব্র ঘাটতির কারণে অপেক্ষায় অনেক শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা হতাশায় আছেন।
ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে, নতুনদের বেশির ভাগ শিশু। আলাদা ওয়ার্ডে চিকিৎসা চলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত। এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
ঢাকায় মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের ১৬ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের বেশি।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত চার শিশুর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের আইসিইউতে নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। চলতি মাসে এই হাসপাতালে ১২ শিশুর প্রাণ গেছে এই রোগে। রাজশাহী বিভাগে সংক্রমণের হার প্রায় ২৯ শতাংশ, বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও পাবনায় পরিস্থিতি চিন্তাজনক।
মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি হামাক্রান্ত ছয় মাসের শিশু নূর নাহারের চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী জুবাইদা রহমান উদ্যোগ নিয়েছেন। মুক্তকণ্ঠের প্রতিবেদনের পর ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করেছে। শিশুর অবস্থায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ বছর ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে মোট ৬৩৪ জন নিশ্চিত আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কর্মরত চিকিৎসক ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রামে হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলার অভাবে মারা গেল হামে আক্রান্ত শিশু
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৮৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত এই পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়।