যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হয়ে পাকিস্তান কি ভারতের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিল
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই ইসলামাবাদ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই ইসলামাবাদ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে শুরু করে
এনএএসিপি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অযোগ্য, অসুস্থ ও উন্মাদ বলে অভিহিত করে অভিশংসন ও ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার আহ্বান জানিয়েছে। ১১৭ বছরের ইতিহাসে এটি সংগঠনের প্রথম এমন কঠোর অবস্থান। ট্রাম্পের বক্তব্য ও আচরণকে বিপজ্জনক বলে বিবেচনা করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য ওমান ও ইরানের উপমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছে। এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় বহু নিহত-আহত হচ্ছেন। আশেপাশের দেশগুলোও হামলার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের হুমকি-ধমকি ও মাঝে মাঝে তাঁর অশালীন ভাষা ব্যবহার নতুন নয়। তবে তাঁর এই পোস্টটি একেবারেই ব্যতিক্রমী
ইরানে গত শুক্রবার মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলে একজন ক্রু পাহাড়ের খাঁজে লুকিয়ে এক দিনের বেশি সময় টিকে ছিলেন। মার্কিন কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন, যাতে সিআইএ এবং ইসরায়েল সহযোগিতা করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যোদ্ধাকে সাহসী বলে সম্মান জানিয়েছেন।
দেশের বাজারে সোনার দাম কমে ২২ ক্যারেট ভরিতে ২,১৫৮ টাকা হয়েছে। বাজুসের ঘোষণায় বিভিন্ন ক্যারেটের দাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে দামের ওঠানামার প্রভাবে এই পরিবর্তন এসেছে।
হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, সার ও খাদ্য সংকট ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশে সারকারখানা বন্ধ, পাকিস্তানে স্কুল বন্ধ। সমঝোতার মাধ্যমে জলপথ সচল না রাখলে সাড়ে চার কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে পড়তে পারে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস পরিবহনের পথ হলেও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস আরও বিস্ময়কর। আরব্য ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষ এখানে পর্বতমালা, তেলভান্ডার ও অনন্য ভূপ্রকৃতি গড়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ধীরে ধীরে সংকুচিত হলেও বন্ধ হতে ১ কোটি বছর লাগবে।
ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই বক্তব্যকে নিন্দনীয় ও ভয়াবহ বলে সমালোচনা করেছেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলায় তেহরানের সাধারণ নাগরিকরা ব্যবসা-সঞ্চয় হারিয়ে আর্থিক-মানসিক বিপর্যয়ের মুখে। বেসামরিক এলাকায় হামলা বাড়ায় তারা প্রশ্ন তুলছেন, ‘স্বাধীনতা'র নামে এ ধ্বংসই কি কাম্য?
৬২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর বিরোধী।
ইরানে স্থল অভিযানে সফলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ১০ লাখের বেশি সেনা লাগবে বলে যুদ্ধবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাকে তারা 'হাস্যকর' বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইরাক, আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা এবং ইরানের বিশালতা এর পেছনে যুক্তি হিসেবে উঠে এসেছে।