ইরানে যেভাবে স্থল অভিযান চালাতে পারেন মার্কিন সেনারা
যুক্তরাষ্ট্র খারগসহ ইরানের বেশ কিছু দ্বীপ দখলে স্থল অভিযান চালাতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র খারগসহ ইরানের বেশ কিছু দ্বীপ দখলে স্থল অভিযান চালাতে পারে।
ইরানের হামলার কারণে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সামরিকভাবে দুর্বল না করে নৈতিক ও প্রতীকী বয়ানকে শক্তিশালী করছে। শিয়া ধর্মতত্ত্বের শাহাদাত ও আত্মত্যাগের ধারণা এই রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখছে। বিদেশি আগ্রাসন অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ঢেকে রাষ্ট্রকে জাতীয় রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করার সুযোগ দিচ্ছে।
রাঙামাটিতে নির্ধারিত সময়সূচিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। শৃঙ্খলা রক্ষায় চারটি পেট্রলপাম্পে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন। সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ডিজেল বিক্রি চলছে, গ্রাহকরা ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন।
ইরানের অনুরোধে হুতিরা দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে লোহিত সাগর ও বাব আল–মানদেব প্রণালিতে মার্কিন রণতরির চলাচল ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বড় অভিযানকে মন্থর করাই তাদের লক্ষ্য। এছাড়া সৌদি পাইপলাইন নিয়ে নতুন সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।
ইরানে স্থল অভিযানে সফলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ১০ লাখের বেশি সেনা লাগবে বলে যুদ্ধবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাকে তারা 'হাস্যকর' বলে আখ্যায়িত করেছেন। ইরাক, আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতা এবং ইরানের বিশালতা এর পেছনে যুক্তি হিসেবে উঠে এসেছে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পেট্রলপাম্পে তদারকি জোরদার করেছে উপজেলা প্রশাসন। ট্যাগ অফিসাররা পরিদর্শন শুরু করেছেন এবং ভাটিয়ারী ফিলিং স্টেশনে তথ্য অমিল পেয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অনেক পাম্পে অকটেনের অভাবে যানজন হতাশ হচ্ছেন।
১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালের জাতীয়করণ ছিল তেমনই এক সন্ধিক্ষণ, যা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছিল। এই সংকট ব্রিটেনের আর্থিক দুর্বলতাকে নগ্ন করে দিয়েছিল। মার্কিন চাপের মুখে পাউন্ড স্টার্লিংয়ে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল। বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান দ্রুত ক্ষয়ে গিয়েছিল। আর শেষ পর্যন্ত সাম্রাজ্যবাদী হাত গুটিয়ে আনা অনিবার্য হয়ে উঠেছিল।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতিরা সরাসরি যোগ দিয়ে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। লোহিত সাগরে জ্বালানি জাহাজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বাড়বে। কূটনৈতিক চেষ্টা চললেও যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
ইসরায়েলের বেইত শেমেশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে এবং জুদিয়ান হিলসে ১২ জন আহত। গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান ও হিজবুল্লাহ হামলায় ১৪২ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। চলমান যুদ্ধে মোট আহতের সংখ্যা ৫ হাজার ৬৮৯।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ফোনে ঘণ্টাখানেক কথা বলেছেন। ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতি ও আস্থা গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন পেজেশকিয়ান। ইসলামাবাদে আগামীকাল শুরু হচ্ছে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সম্মেলন।
দক্ষিণ লেবাননের জেজ্জিন সড়কে ইসরায়েলি হামলায় আল-মানার ও আল-মায়াদিন টিভির দুই সাংবাদিকসহ চারজন নিহত। একই দিনে পাঁচ প্যারামেডিকও প্রাণ হারান। লেবানন ও ইরানে ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।