
ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে ‘সভ্যতা ধ্বংস’ হুমকি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে বলে শীর্ষ গণমাধ্যম ও আইনবিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘনের আশঙ্কায় মার্কিন রাজনীতিক ও জাতিসংঘও প্রতিবাদ জানিয়েছে। বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা নিষিদ্ধ বলে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

প্রথম ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ২০০০ সালে ৮ মেগাবাইট ধারণক্ষমতায় বাজারে আসে। ইসরায়েল, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও চীনের উদ্ভাবকদের মধ্যে এর কৃতিত্ব নিয়ে বিতর্ক চলছে। দুই দশকে এর ধারণক্ষমতা ২ টিবি ছাড়িয়েছে।

ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত নয়টি উড়োজাহাজ ভূপাতিত বা ধ্বংস হয়েছে। বিবিসির তালিকায় ৫ এপ্রিল থেকে ২ মার্চের মধ্যে এফ–১৫ই, ই-৩ সেন্ট্রি, কেসি-১৩৫সহ বিভিন্ন ধরনের বিমানের ঘটনা উল্লেখ আছে। ছবি বিশ্লেষণ ও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি জেনেভা কনভেনশন লঙ্ঘন করে যুদ্ধাপরাধ। তিনি হরমুজ প্রণালী খোলার মাগডা দিয়ে ‘প্রস্তর যুগে’ ফেরানোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ন্যাটো মিত্ররা এই যুদ্ধে যোগ দেয়নি।

সিএনএন যাচাই করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের বেশ কয়েকটি মিথ্যা দাবি। ওসামা বিন লাদেন, ইরান যুদ্ধের বিমানহানি, যুদ্ধ থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ কি ইরানে ধর্মতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটাতে পারবে? ইতিহাস দেখায়, বোমা ফেলে জনগণ শাসকের বিরুদ্ধে নয়, বরং বাহ্যিক শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়। তেহরানের মানুষও একই স্থৈর্য দেখাচ্ছে।

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনার খবর ফাঁসকারী সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গোপনীয় তথ্য ফাঁসের ফলে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়। ইরানি গণমাধ্যম প্রথম বিমান বিধ্বস্তির খবর প্রচার করেছিল।

বৈশ্বিক সংকটে কাতার-ওমান থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, খোলাবাজার থেকে দ্বিগুণ দামে কিনে গ্যাস ধরে রাখা হচ্ছে। তবু গ্যাস ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে লোডশেডিং বাড়ছে। ভর্তুকি ও ডলারের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন সিভিল-মিলিটারি ভারসাম্যহীনতা পরাশক্তির পতন ডেকে আনছে বলে মনে করছেন লেখক। ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নেতৃত্বের ভুলগুলো তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ এখন মাস পেরিয়ে গেছে, পরাজয় অনিবার্য।

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য ওমান ও ইরানের উপমন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছে। এদিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় বহু নিহত-আহত হচ্ছেন। আশেপাশের দেশগুলোও হামলার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফায় এক ভবন ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলে গুচ্ছবোমা হামলায় আহত হয়েছেন কয়েকজন। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।