দৃষ্টির জন্ম হয়
তোমাকে চেনা যদি জ্ঞান না হয়, তোমাকে ভালোবাসা ছাড়া প্রজ্ঞাও নেই কোনো।
তোমাকে চেনা যদি জ্ঞান না হয়, তোমাকে ভালোবাসা ছাড়া প্রজ্ঞাও নেই কোনো।
সীমার ভেতরে বসা অসীম ক্ষমতাধর রাজন্য ও পারিষদ নানা মন্ত্র জপে যায় শীর্ষাসনে সমাসীন সুদূরের ভিন্নতর কানে।
দিনভর হালুয়া রুটির খোঁজে মানুষজন আসত আমাদের গরিব কলোনিগুলোর বাসায় বাসায়
তোমার দেহাতি অবয়ব সুপ্রাচীন দেয়ালের মতো, আদিম বৃক্ষের মতো স্থির,
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে
হাত ধরে হেঁটে গিয়ে এই শীতে কুয়াশা রুমাল ওড়ানোর কথা ছিল
নব্য নগদ আয়তনের ভারে অথবা ধারে ফালা ফালা দেহবৃক্ষ—
শীত এলে পিঠা আর কুয়াশার ঘ্রাণ নদীতীর, বক পাখি, ভোরের উড়ান
তার জ্বলন্ত লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে মানুষ এই বেইনসাফের রাস্তায় কবিতার মতো হেঁটেছিল হাদি
লাজুক গুইসাপ শীতের সংশয় নিয়ে আস্তে-ধীরে পার হয় বনপথ।
প্রতিবার শীতের শিরোনামটা আমি তিনজনকে বলি হৃৎপিণ্ড কাঁপানো এবার বাতাসেই বললাম: তিনে—
শোনো—জ্যোৎস্নার টুপি পরা অভিসারী ঘুঘুদের ধূলিপিণ্ড আয়না—রাস্তা পেরোলেই দেখবে একটি স্বপ্ন দীক্ষিত মেধাবী বিড়াল আপেল খাচ্ছে একাকী।