শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়টি উঠে আসে।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
গত জুন মাসে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দীনেশ ত্রিবেদী এই প্রথম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পেলেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মনে করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তারেক রহমানের মধ্যে আলোচনা হলে দুই দেশের অনেক সমস্যার সমাধান সহজ হবে।
সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার ও অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়া দিল্লিতে যাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
ভারতের নয়াদিল্লি ও কলকাতার বাংলাদেশ মিশনগুলোতে নতুন দুই কূটনীতিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে দিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় কাজ এগিয়ে নিতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অতীত সামাজিক যোগাযোগমা
বাংলাদেশের নতুন প্রেস অফিসারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত দিল্লি।