ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়া দিল্লি যাবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরই বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, তাঁরা অধীর আগ্রহে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অপেক্ষায় আছেন এবং নিকট ভবিষ্যতে এই সফর হবে বলে আশাবাদী।

বুধবার বিকেলে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে এই কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই ছিল তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ।

বৈঠকের পরিবেশ অত্যন্ত উষ্ণ ছিল বলে উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি খেলাধুলা ও ক্রিকেট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা পুনরায় চালু হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশের জনগণের জন্য এটা খুবই সুবিধাজনক। দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আমাদের শুধু সীমান্ত নয়, অভিন্ন সংস্কৃতি ও স্বপ্নও রয়েছে। তাই বৈঠকটা খুবই ভালো হয়েছে। উভয়পক্ষের জনগণের জন্য লাভজনক হয় এমন সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তোলার অপেক্ষায় রয়েছি আমি।”

আলোচনা কেবল শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আমরা সামনে আরও কথা বলব। আমি সে অপেক্ষায় আছি।”

উল্লেখ্য, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বাংলাদেশ সম্মেলনে যোগ দেবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে কি না—সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “ব্রিকস নিয়ে আমাদের এখানে আলোচনা হয়নি। আমি মনে করি, এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। আমাদের দিক থেকে বলতে পারি, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমি নিশ্চিত যে নিকট ভবিষ্যতে এটা হবে বলে আমরা খুবই আশাবাদী। আমরা সেটার অপেক্ষায় আছি।”