২৯ ফেব্রুয়ারির তোরেস, ১৯ জুলাইয়ের নায়ক
যে গোল স্পেনকে এনে দিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি, তাঁকে বসিয়ে দিয়েছে স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসের পাতায়।
যে গোল স্পেনকে এনে দিয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি, তাঁকে বসিয়ে দিয়েছে স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসের পাতায়।
ব্যক্তিগত প্রতিভার চেয়ে দলীয় সংহতি ও কৌশলের ওপর ভর করে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল স্পেন।
শেষ বাঁশি বাজল যখন, হিউস্টনের স্টেডিয়ামজুড়ে একটাই রং—হলুদ। সবুজ ঘাসের ওপর ছুটে এল হলুদ ঢেউ।
পাসের পর পাস, প্রেসিংয়ের পর প্রেসিংয়ে প্রতিপক্ষের দমবন্ধ করে শেষ দিকে গোল করে ম্যাচ জিতে নেওয়া। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেন তিনটি ম্যাচই জিতেছে এই ছকে।
২০১০ সালে প্রথমবার বিশ্বজয়ের সেই সোনালি সময়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপের মিলগুলো সত্যিই অবাক করার মতো।
ইংল্যান্ডের ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজের চোখের জল ছুঁয়ে গেছে অনেককেই। এই বিশ্বকাপে মার্তিনেজ যা করেছেন, তাতে তিনি আবেগে ভাসতেই পারেন।
১৯৮৬ সালের আজতেকার বিকেল থেকে শুরু করে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো, বেকহাম-সিমিওনের দ্বন্দ্ব—কিছু স্মৃতি রঙে মিশে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আর্জেন্টিনা নীল জার্সি পরে মাঠে নামছে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পরাজয় এবং ম্যাচ চলাকালীন লিওনেল মেসির আচরণ ও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন মিসর কোচ হোসাম হাসান।
আনহেল দি মারিয়াকে করা দেম্বেলের ফাউলে পাওয়া পেনাল্টিতে গোল করেই এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা, ব্যবধান প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ২–০।
এবারের বিশ্বকাপে সেনেগাল দল নানা অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত ছিল। বকেয়া বেতন, লজিস্টিক সমস্যাসহ নানা সমস্যার কথা বিশ্বকাপের সময় সামনে আসে।
বিশ্বকাপের ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ১০০টি ম্যাচ শেষ। প্রথম ১০০ ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলদাতা, সর্বোচ্চ খেলার সময় এবং অন্যান্য রেকর্ডের বিস্তারিত।
১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো কোনো দল শীর্ষ ১৫ র্যাঙ্কিংয়ের দলের মুখোমুখি না হয়েই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল, যা এক অনন্য রেকর্ড হিসেবে গড়ালো আর্জেন্টিনা।