মেসি নাকি এমবাপ্পে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট, বিশ্বকাপে কে কোন পুরস্কারের জন্য ফেবারিট
ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, স্মরণীয় পারফরম্যান্স, গোলরক্ষকের অবদান, তরুণ ফুটবলারের উত্থান এবং মাঠে দলের শৃঙ্খলা—এসবের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় বিশ্বকাপের বিভিন্ন পুরস্কার।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, স্মরণীয় পারফরম্যান্স, গোলরক্ষকের অবদান, তরুণ ফুটবলারের উত্থান এবং মাঠে দলের শৃঙ্খলা—এসবের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় বিশ্বকাপের বিভিন্ন পুরস্কার।
২২ বিশ্বকাপে যাঁদের ওপর ভরসা করে ৩৬ বছরের আক্ষেপ মিটিয়েছিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি, তাঁদের ওপর ভর করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে রেফারির বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিতর্ক amid ফাইনালের আগে রেফারির ভূমিকা ও নিয়মের কঠোর প্রয়োগ নিয়ে কথা বলেছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
স্কালোনির পরিবারের অনেক সদস্যের জন্ম স্পেনে। ফাইনালের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বজনেরা আসন্ন এই মহারণে কোন দলের সমর্থন করবেন।
‘লা মাসিয়া দে কান প্লানেস’—১৭০২ সালে তৈরি করা এক কাতালান ফার্মহাউস। বাংলায় খামারও বলা যায়। স্প্যানিশ ভাষায় ‘লা মাসিয়া’ শব্দের বাংলা অর্থও ওটা।
সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে যাঁর প্রায় সর্বজনগ্রাহ্য স্বীকৃতি, সেই স্যার গ্যারি সোবার্সের জীবনের ইনিংস শেষ হয়ে গেছে গতকাল। বার্বাডোজে নিজের বাড়িতেই ফেলেছেন শেষনিশ্বাস।
আটালান্টার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মেসি-কেইনদের পাশাপাশি নজর থাকবে দুই গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও জর্ডান পিকফোর্ডের লড়াইয়ের দিকে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আজ কেইন যখন মাঠে নামবেন, তাঁর পেছনে ফেলে আসা সেই জীবনের কথা কি একটু মনে পড়বে? সেই কেইন, যাঁকে একের পর এক ক্লাব ঘুরতে হয়েছে ধারে।
১৯৮৬ সালের আজতেকার বিকেল থেকে শুরু করে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো, বেকহাম-সিমিওনের দ্বন্দ্ব—কিছু স্মৃতি রঙে মিশে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আর্জেন্টিনা নীল জার্সি পরে মাঠে নামছে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পরাজয় এবং ম্যাচ চলাকালীন লিওনেল মেসির আচরণ ও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেছেন মিসর কোচ হোসাম হাসান।
ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন। এমবাপ্পের গতি আর ইয়ামালের কৌশলের লড়াইয়ে কে যাবে ফাইনালে, তা নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক উত্তেজনা।
ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে স্টেডিয়ামের বাইরে এবং গ্যালারিতেও প্রতিপক্ষ দলের সমর্থক এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর জন্য কুখ্যাতি আছে ‘বারা ব্রাভাসে’র।