
সংবাদ অনুসন্ধান করুন
246 টি ফলাফল পাওয়া গেছে: "সাহিত্য"


প্রকাশক থেকে সশস্ত্র বিপ্লবী
একদিকে ধনকুবেরের বিলাসী জীবন, অন্যদিকে চে গুয়েভারার বিপ্লবের স্বপ্ন সাকার করার আকাঙ্ক্ষা। এক হাতে বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দেওয়া বইয়ের পাণ্ডুলিপি, অন্য হাতে ‘অস্ত্র’। গত শতকের ইউরোপীয় ইতিহাসে জিয়ানজিয়াকোমো ফেলত্রিনেল্লির (Giangiacomo Feltrinelli) চেয়ে রহস্যময় ও বৈপরীত্যে ভরা চরিত্র কি আছে?

বাংলায় মাদ্রাসাশিক্ষার সূচনা ও প্রসার
বর্তমান যুগে অগ্রসর বিদ্যাচর্চাকে অবহেলা করে মাদ্রাসাশিক্ষার প্রাচীন পাঠ্যক্রমগুলোর মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখে টিকে থাকা যে অসম্ভব, আলেম–সমাজ তা অনুধাবন করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মের ক্ষেত্রেও যে যুক্তি, মননশীলতা, জ্ঞান–বিজ্ঞান ও তর্কবিতর্কের অবকাশ রয়েছে, তার এক নীরব সাক্ষী অতীতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম, যেখানে যুক্তিবিজ্ঞান ও তর্কশাস্ত্র (মানতেক), দর্শন (ফালসাফা), স্বাধীন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা ও নিত্যনতুন সমস্যাগুলোর সৃজনশীল সমাধান (ইজতেহাদ) ইত্যাদি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হতো।

‘জীবনানন্দ নিজেকে বরিশাল থেকে নির্বাসিত মনে করতেন’
ক্লিন্টন বুথ সিলি যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় ভাষা ও সভ্যতা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক। বাংলা সাহিত্যের এই গবেষক লিখেছেন কবি জীবনানন্দ দাশের গবেষণামূলক জীবনী, ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য। ইউপিএল থেকে সম্প্রতি পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই বরিশাল অ্যান্ড বিয়ন্ড: এসেজ অন বাংলা লিটারেচার। ২১ জুন ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হলো তাঁর এই সাক্ষাৎকার, নিয়েছেন প্রিয়ম পাল।

আমাদের লত্তাইজু
তো লত্তাইজু নামটা কিন্তু আমাদের গ্রাম কি আরও পাঁচ গ্রামে পাগলের সর্বনাম। সত্যি বলছি। একটা উদাহরণ দিই: চৈত্রে কি ভাদ্রে গরমের ঠেলায় কেউ অসময়ে পানিতে নেমে বসে থাকলে বলা হয় সে লত্তাইজু। অকারণে কেউ গাছে উঠে পা ঝুলিয়ে বসে থাকলে সে–ও লত্তাইজু। হাম হাম করে এক গামলা ভাত সাবাড় করছে কেউ, সে–ও লত্তাইজু।

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে

টিয়াদুর: একটি সর্বপ্রাণবাদী রাজনৈতিক প্রকল্প
মহান ইচক দুয়েন্দে টিয়াদুরে সৃষ্টিজগতের এমন এক প্রবণতার বিমূর্ত ও মূর্তের মিশ্র চিত্র গড়েছেন, যা মানুষের কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ববাদকে চ্যালেঞ্জ করে। মানুষ কেবল অপরাপর প্রাণ-প্রকৃতি হন্তারকই হয়ে ওঠেনি, এমনকি স্বজাতিকেন্দ্রিকতাও বজায় রাখতে পারেনি, লিপ্ত হয়েছে পরস্পরবিরুদ্ধ চিন্তা ও কার্যক্রমের অর্থহীন লড়াইয়ে, যা সমস্ত ভিন্ন ভিন্ন প্রাণসত্তার বৃহত্তর সম্পর্কজাল বিক্ষত ও ছিন্ন করে।

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন জরুরি ছিল
বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের নেতৃত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য ছিল—বুদ্ধির মুক্তি, তথা বিচার-বুদ্ধিকে অন্ধ সংস্কার ও শাস্ত্রের আনুগত্য থেকে মুক্তি দেওয়া। কেন?

শঙ্করাচার্য: বিস্ময়কর এক দার্শনিক সন্ন্যাসী
শঙ্করের দর্শন ও কাজ শুধু হিন্দু দর্শনকে নয়, ভারতীয় চিন্তার শিকড়কে বদলে দিয়েছে। উপনিষদের মূল সুর তিনি এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে তা আজও আধুনিক দর্শন, মনোবিজ্ঞান, এমনকি কোয়ান্টাম দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনায় হাজির হয়। গুরু-শিষ্য পরম্পরা, মঠসংস্কৃতি, বেদান্ত শিক্ষা, সংস্কৃত ব্যাখ্যা-পদ্ধতি—সব জায়গায় তাঁর ছাপ। সংক্ষেপে বললে, মাত্র তিন দশকের জীবনে তিনি করেছেন শতাব্দীর কাজ। তাঁর চিন্তা এখনো সাগ্রহে অধীত হয়।

আব্বা
শুক্রবারের সকালটা ভালো লাগে তাদের। শুধু এদিনটি তাদের কাছে আবছায়া নয়। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। আবিষ্ট পুকুর থেকে ফোটা পদ্ম যেন চলে আসে তাদের কাছে।

কোরআনের ভাষাগত চ্যালেঞ্জে আরবদের বুদ্ধিবৃত্তিক পরাজয়
আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।
