অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে রোনালদো ও জর্জিনা
পর্তুগালের কাসকাইসে ঘনিষ্ঠ পরিসরে বিয়ে করলেন ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ।
পর্তুগালের কাসকাইসে ঘনিষ্ঠ পরিসরে বিয়ে করলেন ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ।
চরিত্রটির এই নতুন অধ্যায় ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে অভিনেত্রী নিকি রদ্রিগেজেরও হয়েছে একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা—প্রথমবারের মতো তাঁকে অভিনয় করতে হয়েছে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে।
শোকের আবহে মনতেরের বিপক্ষে লিগস কাপে দি পলের গোলে এগিয়েও ইন্টার মায়ামি হেরেছে ২-১। গোলের পর তিনি মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে সতীর্থকে উৎসর্গ করেন। হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর বাবার স্মরণসভায় অংশ নিতে শনিবারই রোজারিওতে পৌঁছান লিওনেল মেসি।
নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ‘মাই লাইফ উইথ দ্য ওয়াল্টার বয়েজ’–এর তৃতীয় সিজন। গল্পের প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন নিকি রদ্রিগেজ ও নোয়াহ লালন্ডে।
বাংলাদেশে ইউএনডিপির নবনিযুক্ত আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রদ্রিগেজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
আগামী শনিবার নিজ জন্মভূমি মাদেইরা দ্বীপে জর্জিনা রদ্রিগেজকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর মেজর লিগ সকারে আবার মাঠে নেমেছে ইন্টার মায়ামি। শিকাগো ফায়ারকে হারিয়ে ফেরাটাও হয়েছে জয়ে। তবে ফ্লোরিডার ক্লাবটির সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসি কবে ফিরবেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনা সতীর্থ রদ্রিগো দি পলকেও আপাতত বিশ্রামে রেখেছে মায়ামি। দুজনের ফ
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন রদ্রিগো দি পল; দাবি করলেন, অনেকে আর্জেন্টিনার পতন দেখার অপেক্ষায় ছিলেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে অস্বস্তিকর এক ঘটনার জন্ম দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পেন অধিনায়ক রদ্রির হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও তিনি কিছুক্ষণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো তাকে সরে যেতে ইঙ্গিত দেন এবং শেষ পর্যন্ত হাত ধরে মঞ্চের এক পাশে
আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা রদ্রিগো দি পল ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী-অভিনেত্রী টিনি স্তোসেল এখন ক্রীড়া ও বিনোদনজগতের আলোচিত জুটি।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ সাত দিনের ‘রাষ্ট্রীয় শোক’ ঘোষণা করেছেন
অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ স্থানীয় লোকজনের তীব্র ক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছেন।