২০ জুলাই পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল দমনে পুলিশের অভিযানের সময় বেশ
রাহুলের প্রশ্ন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন কি আপনি দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাহলে কে দিয়েছে?’
রাহুলের প্রশ্ন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন কি আপনি দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাহলে কে দিয়েছে?’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি এবং কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরীকে রাঙামাটি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দিল্লির ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট দেওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েছেন মালয়ালম অভিনেত্রী পার্ল মানি। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী কমেছে ৩ লাখের বেশি বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
অভিজিৎ দিপকে চাননি সিজেপি শুধু অনলাইন আন্দোলনে সীমাবদ্ধ থাকুক, তাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দিতে গত ৬ জুন তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরে আসেন।
আওয়ামী লীগ অতীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যে দমন-পীড়ন চালিয়েছে, তার জন্য হাজারবার ক্ষমা চাইলেও জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত ঘটনাগুলোর কারণে মানুষের মনে যে ক্ষো
বিজয় উদ্যাপনকারীদের মধ্যে ছিলেন ২৬ বছর বয়সী সুরজ এলামন। তিনি বলেন, একটি ছাত্র আন্দোলন কী ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে, এটি তারই প্রকৃত প্রতিফলন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ব্লক রেইড ও গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দমনের প্রক্রিয়া এবং সমন্বয়কদের ডিবি হেফাজতে নেওয়ার বিবরণ।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া তীব্র ছাত্র আন্দোলনের মুখে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ জোশী। তিনি কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শনিবার (২৫ জুলাই) দেওয়া এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভর্তির ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির দায়ে তার পদত্যাগের মূল দাবি জানিয়ে আসছিলেন আন্দোলনকারীরা। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে পদ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
বহুল আলোচিত ‘নিট’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটল। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছে নেতারা। শনিবার (২৫ জুলাই) কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপির উচ্চপর্যায়
সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর মোদি সরকার দমন-পীড়ন চালাচ্ছে এবং বাংলাদেশের মতো সেখানেও ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পতন হবে।