ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে উত্তাল কলকাতা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি
গত পাঁচ বছরে ভারতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কলকাতায় বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত পাঁচ বছরে ভারতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৯টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে কলকাতায় বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে বিচার দ্রুত করার বিষয়ে মোদির এই আশ্বাস আমলে না নিয়ে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়ে দেয়, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতেই হবে।
এইচএসসি পরীক্ষার জটিলতা নিরসনে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় পাঁচটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার, যা ফেসবুক পোস্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ এবং পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বলেছেন, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। ওই দুটি প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের আলোচনা এবং বাংলাদেশের প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সাথে এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
আরএসএস কেন অন্য অসংখ্য সংগঠনের মতো নিবন্ধন এবং জনগণের কাছে জবাবদিহির আওতায় আসবে না, কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের সাম্প্রতিক এমন এক মন্তব্য আবারও একটি রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
নাগপুরের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহর নিট–ইউজি পুনঃ পরীক্ষার কেন্দ্র আবুধাবিতে বরাদ্দ হয়।
ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে ৬ জুন দেশে ফিরছেন। তিনি এনইইট বা ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন।
খন চারপাশের বাস্তবতা বুঝতে শিখছি, তখন মনে হয়—এই দিনটি শুধু আমার জন্মদিন নয়, আমার কর্মজীবী মায়েরও নতুন করে জন্ম নেওয়ার দিন।
বিষয়টি নজরে এনে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কেন্দ্রের দুটি হলের পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে নতুন প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
সেই টিনের ঘরের রাতগুলোর মতো ভয় আর কখনো পাইনি। এখনো ঝড় উঠলে মনে পড়ে চৌকির নিচে গুটিসুটি বসে থাকা এক শিশুর কথা।