ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত কাতারের এলএনজি স্থাপনা মেরামতে লাগবে ৫ বছর
‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।
‘কেপলার’-এর মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।
যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে এক কার্গো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পস্কো ইন্টারন্যাশনাল থেকে কেনা হচ্ছে দুই কার্গো এলএনজি।
কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে।
একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তি
এবার এলএনজি করে গ্যাস আনার চিন্তা
ভোলা থেকে সিএনজি করে ঢাকায় গ্যাস আনার পরিকল্পনা ব্যর্থ। এখন এলএনজি করে আনার নতুন পরিকল্পনা।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, বিস্ফোরণে নিহত সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের জন্য ক্রয়কৃত ৯ কার্গো এলএনজির মধ্যে ৫টি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চার কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।
এখন দ্রুতই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।
সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এলএনজি, এলপিজি এবং বিআরটিসির জন্য ইলেকট্রিক বাস কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চট্টগ্রামজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গৃহস্থালি ও শিল্পখাতে প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ১২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি চলছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনার ফলে দেশজুড়ে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং স্থলভাগে টার্মিনাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।