
১৮৪ দেশ ঘোরা পর্যটক নাজমুন নাহারের প্রিয় দেশ কোনটি
২ হাজার ৮৩১ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট দেশটির জনসংখ্যা দুই লাখ। সমুদ্রসৈকত ও সবুজ পাহাড়ের জন্য পরিচিত এই দেশ।

২ হাজার ৮৩১ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট দেশটির জনসংখ্যা দুই লাখ। সমুদ্রসৈকত ও সবুজ পাহাড়ের জন্য পরিচিত এই দেশ।

প্রযুক্তি মানুষকে হারতে দেবে না। সুতরাং আমরা পোর্টেবল ট্রান্সলেটরের সাহায্যে তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করি। সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় আমরা বুঝলাম যে আধঘণ্টার ভেতরে সে আমাদের হোটেলে নিয়ে যাবে।

সাফারিতে আমাদের একজন সঙ্গী পাখিপ্রিয় ফটোগ্রাফার মিশু জানান, ১৭৫ প্রজাতির পাখির ছবি তুলেছেন ওই চার দিনে।

ঐতিহাসিক রাজপ্রাসাদ দেখতে বছরে বিশ্বের ৭০-৮০ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেন। প্রাসাদে ২ হাজার ৩০০টির বেশি কক্ষ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৭০০টি কক্ষ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। শত শত কক্ষের মাত্র উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কক্ষ ৫ ঘণ্টায় দেখতে পেরেছি। সব কক্ষ দেখতে হলে ২–৪ দিন লেগে যাবে।

সাত মহাদেশের শতাধিক দেশ ভ্রমণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি দম্পতি শাহারিয়াত শারমীন ও রেজাউল বাহার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গিয়েছিলেন গ্রিনল্যান্ডে।

এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বীপটির সাগরতলের জীববৈচিত্র্যের ছবি তুলছেন এই আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও ডাইভমাস্টার। তাঁর কাছ থেকে শুনুন এবারের অভিজ্ঞতা।

তখন কে জানত, এই জগৎ যাদের—মানে লেপচারা (লেপচা জগৎ = লেপচাদের জগৎ), তারাই হচ্ছে এই তল্লাটের, মানে পুরো সিকিমের (দার্জিলিং একসময় যার অংশ ছিল, এর বিস্তারিত একটু পরেই বলব) সবচেয়ে আদি বাসিন্দা।

দেবুদের বাড়িটা নিউইয়র্ক শহর থেকে এক–দেড় ঘণ্টার দূরত্বে অরেঞ্জ কাউন্টিতে। কাউন্টি হচ্ছে ছোট ছোট প্রশাসনিক ইউনিট। বাংলাদেশে যেমন উপজেলা, পৌরসভা, গ্রাম আছে—অনেকটা সে রকম।

অধ্যাপক ড. লুইজা বুরুনরির আমন্ত্রণে ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করি। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বের হয়ে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে কোবলেঞ্জ হয়ে পৌঁছে যাই ফ্রাঙ্কফুর্ট-হান বিমানবন্দরে। সেখান থেকে যাত্রা ইতালির দিকে—প্রথম গন্তব্য মিলান, এরপর ভোলোগনায়

যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি ও ভ্রমণ–সুবিধা নিশ্চিত করার জন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিমান সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ইউরোপীয় মানসে মুসলমানদের প্রায়ই ‘আগন্তুক’ বা ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখা হয়। সাংবাদিক ও ভ্রমণলেখক তারিক হুসাইনের নতুন বই এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছেন।

এই মামিই হচ্ছেন সেই মামি, যাঁকে ইতিহাস হিসেবে দেখি। দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো, কেবল অভিবাসীই নয়, সবার প্রেরণা পাওয়ার মতো ইতিহাস। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডা. আসমা আহমেদ একই সঙ্গে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবায় পারদর্শিতা দেখিয়ে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।