এলএনজি টার্মিনাল সামিট-এক্সিলারেট আংশিক সচল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ
টানা ২৫ দিন তীব্র গ্যাস সংকটের পর কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে আজ শনিবার। এলএনজি টার্মিনাল সামিট পুরোদমে ও এক্সিলারেট আংশিক চালু হওয়ায় ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে।
টানা ২৫ দিন তীব্র গ্যাস সংকটের পর কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে আজ শনিবার। এলএনজি টার্মিনাল সামিট পুরোদমে ও এক্সিলারেট আংশিক চালু হওয়ায় ভোর থেকে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে।
তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশে গ্যাসের সংকট চলছে। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ হলে সংকট আরও বেড়ে যায়।
বৈরী আবহাওয়ায় সামিটের টার্মিনাল থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
জামালপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবিতে জামালপুর–টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চালকেরা।
এলএনজি টার্মিনালের সমস্যার কারণে নোয়াখালীর আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২৯ হাজার ৩৫০ গ্রাহক চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পাইপলাইনে লিকেজের কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় হাজারো গ্রাহক ও সিএনজি স্টেশন সংকটে পড়েছে।
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিসিক শিল্পনগরী, সরাইল ও বিজয়নগরের কিছু এলাকায় রোববার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এক্সিলারেটের টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো ঠিক হয়নি। এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
আজ বৃহস্পতিবার নগরের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগের কয়েক দিনের তুলনায় ভিড় কমেছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি বয়লার চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আংশিক শুরু হয়েছে।
গোপালগঞ্জে শুক্রবার ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে, জানিয়েছে ওজোপাডিকো।
সাভারের ইয়ারপুর ইউনিয়নের তৈয়বপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস উত্তরা, কাশিমপুর ও আশুলিয়ার বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে। ইউএনও জানিয়েছেন, তদন্তের জন্য টিম গঠন করা হয়েছে এবং অভিযান চালানো হবে।
আত্মনির্ভরশীলতা কর্মসূচির আওতায় ভারতের সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যাগ নিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠী আদানি গ্রুপ। এর অংশ হিসেবে নিজেদের কারখানায় তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের সেনাবাহিনীকে সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে শিল্পগোষ্ঠীটি। সম্প্রতি ভারতে বেসরকারিভাবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা ‘