নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ শিল্প এলাকা ও দুটি সিএনজি স্টেশনসহ লক্ষ্মীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। এর ফলে প্রায় ৭ হাজার ১৫০ জন গ্রাহক এবং চারটি সিএনজি স্টেশন তীব্র গ্যাস সংকটে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কেন্দুরবাগ এলাকায় লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের পাশে একটি সেতুর নিচে পানির তলদেশে থাকা পাইপলাইনে লিকেজ শনাক্ত হয়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শনিবার রাত থেকে ওই লাইনের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় লক্ষ্মীপুরের আবাসিক গ্রাহকরা রান্নাবান্না নিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। একই সঙ্গে গ্যাসনির্ভর সিএনজি স্টেশনগুলো অচল হয়ে পড়ায় পরিবহন চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে লিকেজ মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। সবকিছু অনুকূলে থাকলে রোববার মধ্যরাতের মধ্যেই মেরামত শেষ করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছে। দ্রুততম সময়ে সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) প্রকৌশলী শাহ আলম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "কেন্দুরবাগ এলাকায় পানির নিচে থাকা গ্যাস পাইপলাইনে লিকেজ দেখা দিয়েছে। পাইপলাইনটি ১০ ফুট পানির নিচে থাকায় মেরামত কাজ কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে। এ জন্য মেরামত না করে নতুন পাইপ দিয়ে বাইপাস লাইন তৈরি করে গ্যাস সরবরাহ চালু করা হবে।"

তিনি আরও জানান, "লিকেজের কারণে লক্ষ্মীপুরের প্রায় ৭ হাজার আবাসিক গ্রাহক, বাণিজ্যিক ১৫০ জন গ্রাহক ও বেগমগঞ্জের দুটি সিএনজি স্টেশন ও লক্ষীপুরের দুটি সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।"