মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া এবং আলামত নষ্ট করার অভিযোগে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পতনঊষা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মোমিন (৪০) এবং অভিযুক্ত কিশোর রাহুল আহমেদ রিমন (১১) yer অন্তর্ভুক্ত। রাহুল আহমেদ রিমন পতনঊষা এলাকার বাসিন্দা জহির মিয়ার ছেলে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের পূর্ব বলরামপুর গ্রামে এই ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ির পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ির নিচে নিয়ে ওই শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরপরই ইউপি সদস্য আব্দুল মোমিন আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি আলামত ধ্বংস করে অভিযুক্ত কিশোরকে সহায়তা করেছেন।
দীর্ঘ তদন্ত ও সংগৃহীত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে রোববার ভোররাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত কিশোর এবং অপরাধ আড়াল ও আলামত নষ্টের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ইউপি সদস্য আব্দুল মোমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এই বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমর উদ্দিন জানান, "শিশু ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করা, অভিযুক্তকে সুরক্ষা প্রদান ও আলামত নষ্টের চেষ্টার প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় ইউপি সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।