২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত ১ হাজার ৫ শিশু, মৃত্যু ৪
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চার মাসের বেশি সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩৫ শিশু।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চার মাসের বেশি সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ৮৩৫ শিশু।
নিহত সাতজনের মধ্যে পাঁচটি শিশু, দুজন কিশোর। দুজন করে মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও পঞ্চগড়ে। একজন মারা গেছে কুষ্টিয়ায়।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিশুর লাশ বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাহাড় ধসে চাপা পড়ে বিবি হাফসা নামের ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে এবং তিন বছর বয়সী এক শিশু আহত হয়েছে।
গত মাসে (জানুয়ারি) এই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানা–পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াসিন খন্দকার।
কুড়িগ্রামের উলিপুরে পৃথক তিনটি দুর্ঘটনায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং এক শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আত্রাই নদীতে গোসল ও মাছ ধরতে নেমে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার ভাড়া বাসায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আনোয়ার হোসেন ওরফে শাহিন (২৫), শিশু হাফসা ও ফাহিমা (২০) মারা যান। দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১১ দিনে ১০৫ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের জেলা থেকে রোগী আসছে, শয্যাচ্যুতি সত্ত্বেও চিকিৎসা চলছে। টিকাদানে সমস্যা এর কারণ বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন।
হামে মৃত্যু ৪০৯-এ উন্নীত হয়েছে। টিকাদান ক্যাম্পেইনে অনেক শিশু বাদ পড়েছে—শহরে ৩০-৪০% এবং গ্রামে ১৫%। সরকার বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে চলছে টিকা অভিযান।
শেরপুরের নকলায় মৃগী নদীতে শিশু উদ্ধারে কিশোরী লামিয়া আক্তারের প্রাণহানি। জমজ বোন সামিয়া আক্তার গুরুতর আহত।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮৪৪ শিশু প্রাণ হারিয়েছে।