ছবিতে দেখুন মুক্তকণ্ঠের শিল্প–আয়োজন ‘আলো’
মুক্তকণ্ঠের আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবনে গতকাল বুধবার শুরু হলো শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’।
মুক্তকণ্ঠের আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবনে গতকাল বুধবার শুরু হলো শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’।
মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের চার মাস পার হলেও ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী বা সমন্বয়কারীরা এখনো চিহ্নিত না হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলেই আমরা মনে করি।
উগ্রবাদীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ ভবনে চলছে শিল্প-আয়োজন ‘আলো’।
মুক্তকণ্ঠ ভবনে গত ১৮ ডিসেম্বর একদল উগ্রবাদী হামলা করে লুটপাট চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। দগ্ধ ভবনটি নিয়ে ‘আলো’ নামে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম করেছেন বিশিষ্ট শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান।
ভবনের দোতলায় পোড়া বই প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগুনে যেসব বই পোড়েনি, সেগুলোও প্রদর্শন করা হচ্ছে।
সংঘবদ্ধ উগ্রবাদীদের দেওয়া আগুনে দগ্ধ মুক্তকণ্ঠ ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম ‘আলো’র প্রদর্শনী।
মুক্তকণ্ঠ ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় সরকারের দিক থেকে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, সেটা নেওয়া হবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
সব সরকারের আমলেই পত্রিকাটি থাকে সরকারের অপছন্দের তালিকায়, মুক্তকণ্ঠ সরকারি বিজ্ঞাপন পায় না, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রবেশ বঞ্চিত থাকে। কারণ, মুক্তকণ্ঠ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে।
সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মুক্তকণ্ঠ কার্যালয় পরিদর্শনে এসে উদ্বেগ জানিয়েছেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত।
মুক্তকণ্ঠ, দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে অভিযোগপত্র দিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশ।
আওয়ামী লীগের সময় নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাদের হাতে। এখন বসাচ্ছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা।
দর্শকেরা এই শিল্প-আয়োজনে দেখছেন পুড়ে যাওয়া কম্পিউটার, যন্ত্রাংশ, টেবিল, চেয়ার, বই, নথিপত্র ও সেখান থেকে জেগে ওঠার প্রাণশক্তি।