নীলফামারীতে তিস্তার প্রধান বাঁধে নতুন করে ভাঙন, ঝুঁকিতে জনবসতি
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর ডানতীরের প্রধান বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ভেন্ডাবাড়ী এলাকার জনবসতি ঝুঁকিতে পড়েছে; জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর ডানতীরের প্রধান বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ভেন্ডাবাড়ী এলাকার জনবসতি ঝুঁকিতে পড়েছে; জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ লালমনিরহাটের সঙ্গে বিভাগীয় নগরী রংপুরের যোগাযোগ সহজ করতে তিস্তা নদীর ওপর ১২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু এবং ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ করা হলেও, তা তেমন কোনো...
বাংলা চলচ্চিত্রের চটকদার বাণিজ্যিক আয়োজন নয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘সাঁতাও’। খন্দকার সুমন পরিচালিত এই চলচ্চিত্র কৃত্রিম নাটকীয়তার সম্পূর্ণ বাইরে মাটির কাছাকাছি পৌঁছানোর এক সৎ, জেদি ও শৈল্পিক তাগিদ।
ভারী বৃষ্টিতে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫টি চর ও গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
অতিভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধাসহ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা করা হয়েছে।
নীলফামারী পরিদর্শনে গিয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, চলতি বছরের শেষের দিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তার ভয়াবহ নদীভাঙনে বসতভিটা হারাচ্ছেন শত শত মানুষ। স্থায়ী বাঁধের দাবিতে আর্তনাদ করছেন স্থানীয়রা, যাদের অনেকের কাছে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ এখন কেবলই এক অধরা স্বপ্ন।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় নদীভাঙনের ফলে হাজারো মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প সত্ত্বেও পাউবোর অব্যবস্থাপনা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় স্থায়ী সমাধান মিলছে না, বরং সাময়িক জোড়াতালি দিয়ে বাজেট খরচ করা হচ্ছে।
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিস্তার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য জড়িত এবং জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায় সেজন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
চলতি মৌসুমে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে জমিজমা ও বসতভিটা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীতীরবর্তী মানুষ। ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ তুলে জিওব্যাগ ফেলার দাবিতে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন তিস্তাপাড়ের শতাধিক বাসিন্দা। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে রংপুর নগরীর আল
শুধু জুলাইয়ের ১ থেকে ১৬ তারিখের মধেই কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ এলাকায় তিস্তার ভয়াল গ্রাসে বিলীন হয়েছে অন্তত ২৫টি বসতবাড়ি। অন্যদিকে সদরের যাত্রাপুরে ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের ভাঙনে দুই মাসে ২৪০টি পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে।