বিশ্বজুড়ে খাওয়ার পানি হতে পারে রক্তচাপের মরণফাঁদ
পানি যদি নীরবে বয়ে আনে উচ্চ রক্তচাপ, তবে সংকট দাঁড়িয়ে যায় জনস্বাস্থ্যের একদম কেন্দ্রে।
পানি যদি নীরবে বয়ে আনে উচ্চ রক্তচাপ, তবে সংকট দাঁড়িয়ে যায় জনস্বাস্থ্যের একদম কেন্দ্রে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় শত শত মানুষ নিহত ও হাজারের বেশি নিখোঁজ। জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বিশ্বজুড়ে দেড় কোটি মানুষের জন্য এই ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
রাসুয়ায় ঘটে যাওয়া বিধ্বংসী পাহাড়ি ঢল নেপালের পর্যটন খাত ঘুরে দাঁড়ানোর আশাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও বরফ গলে যাওয়ায় পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্রে হাম্পব্যাক, ফিন ও মিংকে তিমির ভিড় বেড়েছে। গবেষণায় এ অঞ্চলের পরিবেশগত পরিবর্তনের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে জাতিসংঘের কপ-৩১ সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্ক সফর করবেন। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওআইসি বৈঠকের সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর এই তথ্য জানানো হয়।
এ ঘটনা নিছক আবহাওয়াজনিত কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। এর পেছনে রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
নেপালে বিপর্যয়ের আগে জেলাটিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন তারা থাপা মাগারের তিন স্বজন। আকস্মিক বন্যার পর থেকে তাঁদের আর কোনো খোঁজ নেই। ফোন বন্ধ। যোগাযোগও করা যাচ্ছে না। তাঁরা কোথায় আছেন, কেমন আছেন—পরিবারের কেউ জানেন না। চট্টগ্রামে বসে প্রতিটি মুহূর্ত উৎকণ্ঠায় কাটছে তারার। তিনি বলেন, ‘আমার তিন স্বজন বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন; কিছুই জানি না। দেশ থেকে এত দূরে বসে শুধু অপেক্ষা করছি। এর চেয়ে অসহায় সময় আর কী হতে পারে।’
নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৩৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আরও প্রায় ৯০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নিউজিল্যান্ডের আর্থ সায়েন্সেসের ‘মাউন্টেনস টু সি’ কর্মসূচির প্রধান বিজ্ঞানী সাইমন কক্স বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উঁচু পর্বতের পাথর ও বরফের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিমালয়ের জটিল ভূপ্রকৃতির কারণে এমন আকস্মিক দুর্যোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে গতকাল বুধবারের আকস্মিক বন্যার পেছনে হিমবাহধসকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠান ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’-এর ছবি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।
যশোরের শার্শা উপজেলার ‘এ এফ মৎস্য খামারে’ মাছ মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি খামার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ও জলবায়ুগত ভারসাম্যহীনতাকে দায়ী করেছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দাবি প্রমাণিত হয়নি।