তানপুরাবেষ্টিত হাত কি অসাড়, নাকি মুষ্টিবদ্ধ
চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।
চাঁদজ্বলা অপার্থিব রাত অর্থহীন, যদি না দুজনে থাকি জড়াজড়ি শর্তহীন।
ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলি একে একে স্পর্শ করে দেখি অভ্যাসের বকুল কুড়াই
বাঁচামরা যখন বিচিত্র নলে, ভীষণ শীতাতপ— ফিনাইলমেশা হাওয়া আর মনিটরে রঙিন ঢেউ
আলোর দুহাত দিয়ে আমায় জড়িয়ে রেখেছে ঠোঁটের স্পর্শে মাখামাখি হচ্ছে
এহেন ভাবিতেই অকস্মাৎ চমকাইয়া উঠিলাম: ঠাহর করিলাম পৃষ্ঠদেশে আমার ভয়াবহ একটা কিল পড়িয়াছে।
পিছলে যাচ্ছে সাবানমাখা বাসন চমকে উঠছে নীরব সাবার্বিয়া
মানুষ যখন জীবনের দুই প্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়ে—না পারে ফিরে যেতে, না পারে সামনে এগোতে—ঠিক সেই দ্বিধার জায়গাটাকেই এই গান সহজ ভাষায় প্রকাশ করে।
ফেলে আসা সংসারের পুতুলবাঘ তবু স্বপ্নে দেখি—বাঘচোখের খাদে কবে যেন আমার কোনো করুণ মৃত্যু ছিল বলে
আমি মরণ কামড়ে এক টুকরা রুটি জুয়ায় ধরো ওরিনোকো মাদুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল!
ওগো ঢেউ, পাড়ে এসে আছড়ে পড়া ডুকরে ওঠা ঢেউ, মানুষের হৃদয়ের মতো তুমি কেন বিরহকাতর?
তাঁর কবিতায় একধরনের ‘মিস্টিক’ বিষাদ ও শান্তির ছোঁয়া পাওয়া যায়। হেসের কবিতায় কোনো অলংকারের বাহুল্য নেই, আছে শান্ত স্বীকারোক্তি।
মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।