
শবে বরাতের রাত
দিনভর হালুয়া রুটির খোঁজে মানুষজন আসত আমাদের গরিব কলোনিগুলোর বাসায় বাসায়

দিনভর হালুয়া রুটির খোঁজে মানুষজন আসত আমাদের গরিব কলোনিগুলোর বাসায় বাসায়

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজনে মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন রোববার থেকে শুরু হয়েছিল জাতীয় কবিতা উৎসব। এবার উৎসবের স্লোগান ছিল ‘সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দেবে কবিতা’।

তিনি ছিলেন সেই বিরল প্রতিভাদের একজন, যাঁরা স্লোগানসর্বস্ব, কোলাহলপূর্ণ কবিতার যুগেও মিতভাষী, শান্ত অথচ গভীর জীবনবোধের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রেখেছিলেন।

ফেলে আসা সংসারের পুতুলবাঘ তবু স্বপ্নে দেখি—বাঘচোখের খাদে কবে যেন আমার কোনো করুণ মৃত্যু ছিল বলে

আমি মরণ কামড়ে এক টুকরা রুটি জুয়ায় ধরো ওরিনোকো মাদুরো মধ্যপ্রাচ্যের তেল!

তোমার দেহাতি অবয়ব সুপ্রাচীন দেয়ালের মতো, আদিম বৃক্ষের মতো স্থির,

ওগো ঢেউ, পাড়ে এসে আছড়ে পড়া ডুকরে ওঠা ঢেউ, মানুষের হৃদয়ের মতো তুমি কেন বিরহকাতর?

গানের সুর, কবিতার ছন্দ ও দৃপ্ত কথামালায় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানানো হলো গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবন মিলনায়তনে।

উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে

বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে

মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।