ইচ্ছে করে উদ্যানের ছায়াবৃক্ষগুলিএকে একে স্পর্শ করে দেখিঅভ্যাসের বকুল কুড়াইসন্ধ্যার পাখিদের ডেকে আনিগান শুনি—মৃতদের ইচ্ছেরাও মরে যায়বেওয়ারিশ পড়ে থাকেইচ্ছের পৃথিবীঝরাপাতা-পাখির পালক

জীবন স্মৃতির হাতে বন্দী হলেউদ্যানের পড়ন্ত বিকেলবুনো বৃষ্টির প্রহরস্টিমারের বিদায়ী হুইসেলকড়া লিকারের চাকেউ পিছু ছাড়ে না—

ফিরিয়ে দিলে সব চোখসময়ের দোহাই মাড়িয়ে চলে যায়প্রতিশ্রুত দিনচারিদিকে ছড়ানো-ছিটানোরক্ত মাংস হাড়গোড়এক পরিত্যক্ত রণভূমি

প্রতিদিন কাঁটাতার সীমানা বাড়ায়রোদ বৃষ্টি আর বাতাসকেকঠিন শাসিয়ে যায়যেন সীমানা না পেরোয়চপল বাতাস হেসে হেসেউত্তর থেকে দক্ষিণে যায়রোদ বৃষ্টি আপন খেয়ালেসীমানা মাড়ায়—

বাড়াই না হাতনাগালে ছোঁয়া যায়এমন স্বপ্নের দিকেও—নির্বিরোধ পড়ে থাকিনিথর পাথরমাটির ঢেলাকেউ বানাবে ভাস্কর্যকেউবা পুতুলশুধু শুধু ভাঙেআর পোড়ায় আগুনে—

কতবার ভাবি একবারঅন্তত দাঁড়াই মুখোমুখিদাঁড়ানো হয় না—স্বচ্ছ জলের নদীপ্রতিদ্বন্দ্বী দুপুরের দিনদেয়াল আর দেয়ালপাশ ফিরে হাঁটি—

রাস্তায় পা রাখিহাঁটিচারিদিকে মানুষ-মানুষখাপছাড়া লাগেমাটির সাথেকংক্রিটের সাথেপরিচয়-সংকট কাটে না—

তুমি অন্য ভাষার অভিজাত শব্দঅনুবাদে ঠিক ধরা যায় না—অভিধান হাতড়ে হাতড়ে ক্লান্তবেশরম পিছু পিছু হাঁটিকোনো কোনো সাহসী দুপুরসমান্তরাল হাঁটে—