
আহমদ তাহাবি: হানাফি চিন্তাধারার ইমাম
তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো, বিশেষত আল-আকিদাতুত তাহাবিয়া বিশ্বের বহু মাদ্রাসা ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজও গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য হিসেবে সমাদৃত।

তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো, বিশেষত আল-আকিদাতুত তাহাবিয়া বিশ্বের বহু মাদ্রাসা ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজও গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য হিসেবে সমাদৃত।

‘বনলতা সেন’কে শুধু একটি কবিতার রূপান্তর ভাবলে ভুল হবে। এখানে ইতিহাস, স্মৃতি, স্বপ্ন ও বর্তমান সময় একাকার হয়ে গেছে।

বলিউডের ইতিহাসে যত প্রেমের গল্প আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে রহস্যময়, সবচেয়ে আলোচিত এবং সবচেয়ে বিতর্কিত সম্পর্কের নাম সম্ভবত অমিতাভ বচ্চন ও রেখা

বিশ্বকাপে জার্মানি ফেবারিট না হলেও ইতিহাস বলছে, তাদের কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। দলটি এখন তরুণ প্রতিভা যেমন মুসিয়ালা, ভির্টজ এবং অভিজ্ঞ কিমিখ, নয়্যারের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে। অতীতে আন্ডারডগ হয়েও জার্মানি বারবার শক্তিশালী দলকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে।

‘মা আজ মারা গেলেন, কিংবা হয়তো গতকাল, আমি ঠিক জানি না’, আলবেয়ার কাম্যু রচিত এই লাইনগুলো পৃথিবীর ইতিহাসে যেকোনো উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী শুরু বলে অনেকে অভিমত দেন।

তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও বৈষম্যনীতির বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন বঙ্গবন্ধু।

পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।

নিবন্ধটি ‘রইদ’ চলচ্চিত্রের প্রশংসায় লিখিত। লেখক মো. ইয়াকুব আলী সিডনি থেকে জানিয়েছেন, সিনেমাটি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, প্রেম ও সংস্কৃতির সত্যনিষ্ঠ চিত্রায়ণ। মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনায় সিনেমার ভাষা, পোশাক, সংলাপ ও অভিনয়—সবকিছুই বাস্তবধর্মী। বিশেষ করে তুষি ও সাধুর অভিনয় প্রশংসিত। লেখকের মতে, ‘রইদ’ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হবে।

ইসলামি দাওয়াতের ইতিহাসে হিজরতপূর্ব মদিনা ছিল একটি উর্বর ভূমি, যেখানে ইমানের বীজ বপন করা হয়েছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে।

প্রথমবার আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছে চীনের মান্দারিন ভাষার উপন্যাস তাইওয়ান ট্রাভেলগ। উপন্যাসটি লিখেছেন তাইওয়ানের লেখক ইয়াং শুয়াং-জি এবং ইংরেজি অনুবাদ করেছেন লিন কিং। বইটির জন্মকথা, তাইওয়ানের জটিল ঔপনিবেশিক ইতিহাস, অনুবাদ সাহিত্যের গুরুত্ব ও লেখক হয়ে ওঠার গল্প শুনিয়েছেন ইয়াং শুয়াং-জি।

শুধু মুখস্থের ওপর ভরসা করা হতো না। কোনো লেখা তখন পর্যন্ত গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এর পেছনে সাক্ষ্য থাকত যে এটি রাসুলের সামনে লিপিবদ্ধ করানো হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে কিছু নাম সময়কে অতিক্রম করে কেবল লেখকের পরিচয় নয়, বরং একধরনের নান্দনিক ও মানবিক প্রতীকে পরিণত হয়। ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা (৫ জুন ১৮৯৮—১৮ আগস্ট ১৯৩৬) তেমনই এক নাম—যিনি কবিতা, নাটক ও প্রতীকের ভাষায় জীবন, মৃত্যু ও স্বাধীনতার গভীরতম সংকটকে রূপ দিয়েছেন। ৫ জুন তাঁর জন্মদিনে ফিরে দেখা তাঁকে কেবল স্মরণ করা নয়; বরং আধুনিক ইউরোপীয় সাহিত্যের এক ট্র্যাজিক কিন্তু উজ্জ্বল অধ্যায়কে নতুন করে পাঠ করা।