
ইবনে বতুতার পায়ের ছাপ
২১ বছর বয়সে ঘরছাড়া হয়েছিলেন, আবার যখন ঘরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখন তাঁর বয়স ৪৬। মাঝখানে পার হয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর।

২১ বছর বয়সে ঘরছাড়া হয়েছিলেন, আবার যখন ঘরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তখন তাঁর বয়স ৪৬। মাঝখানে পার হয়ে গিয়েছে দীর্ঘ ২৫ বছর।

নমনীয় মিহি গলার আওয়াজ। দরজা খুলে দিলাম। হকচকিয়ে গেছি। বিস্ময়ে আমার ভেতর অবশ ভাব চলে এসেছে। হতভম্ব চোখে দেখলাম সামনে হিম দাঁড়িয়ে আছে।

গঠনগত দিক থেকে ‘মৃত আত্মা’ ইউরোপীয় পিকারেস্ক ধারায় রচিত। এখানেও নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থক নায়কের বিচ্ছিন্ন ও পর্বভিত্তিক অভিযাত্রা অনুসরণ করা হয়েছে।

বর্ণমালারা মিলেমিশে অক্ষর-শব্দ-বাক্য গঠন করলেও কোনো গভীর মালা গাঁথেনি। তারা প্রেমহীন, কামহীন, সম্মতিবিহীন হয়ে শুয়ে আছে। যেন ল্যাবরেটরির পেট্রি ডিশে ক্যালসিয়াম-পটাসিয়াম-ভিটামিন মিশিয়ে ফলের সৌন্দর্য গড়া হয়নি।

সাবরিনা বুঝতে পারে না নাদিয়ার এমন ইমম্যাচিউর কথাবার্তার কারণটা কী। দিন দিন ওর বুদ্ধিশুদ্ধি কমছে নাকি?

আলোর ভয়ে ছড়ানো ফোয়ারা ফুল, লোভে পড়া যৌনতরু এবং মিথ্যের জালে আটকে রাজহাঁসের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই লেখায়। আত্মবন্দী এক মানুষের চরকায় সুতোকাটা এবং মায়ার প্রতিবিম্বের কথা উঠে এসেছে। অর্থ-জ্ঞানে কোনো বৃহস্পতি নেই বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

অল্প সময়ের মধ্যেই সে সেই বাক্সের ভেতরেই বড় হতে শুরু করল। প্রতিবছর শেষের বালিশ থেকে একটু করে তুলা বের করে দেওয়া হতো, যাতে তার বৃদ্ধির জন্য জায়গা তৈরি হয়।

নর্মদা নগরীর কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশে স্তূপাকার জঞ্জালের ছবি। ব্যর্থতা ও ধ্বংসের প্রতীক এই স্তূপ বর্ষার আগে সরিয়ে ফেলার আহ্বান। আয়ুষ্কাল অতিক্রম করে কে বেঁচে থাকে?

‘আপনি কার হয়ে কাজ করছেন? বলুন, কোনো তথ্য আড়াল করবেন না। কারা মদদ দিচ্ছে আপনাকে? কত টাকা পেয়েছেন? কোথায় সেই টাকা? চুপ করে থাকবেন না। বলুন!’

দ্বিধাগ্রস্ত হৃদয়ে একান্ত হাতে বোনা নীল সোয়েটারের আলতো ভাঁজের উত্তাপ। লায়লা ফারজানার কবিতায় তুষার, নির্জনতা, ভালোবাসা ও কয়েনের স্বপ্নের মায়াময় ছবি। পার্কের শুকনো ফোয়ারায় পড়ে থাকা সেই স্বপ্নের গল্প।

বাংলাদেশের ভাস্কর নভেরা আহমেদকে ভারতের অমৃতা শেরগিল ও মেক্সিকোর ফ্রিদা কাহলোর সঙ্গে তুলনা করে তাঁদের শৈল্পিক ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে নভেরার জীবন, কাজ ও প্রগতিশীল চিন্তা বর্ণিত। যদিও সে সময়টা খুব দীর্ঘ ছিল না। তবু তাঁর জীবনযাপন, আচার–আচরণ, শাড়ির প্রতি ভালোবাসা, সর্বোপরি তাঁর কল্পনাজগতে ছিল এই দেশ।

ভাস্কর নভেরা আহমেদের জন্মসাল নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, যা তাঁর জীবনের ঘটনাবলী বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়। পাসপোর্টে ১৯৩৯ উল্লেখ থাকলেও অন্যান্য তথ্য এটিকে খণ্ডন করে। ১৯৬০–এর প্রদর্শনী প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে জন্মসালের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।