বিশ্বকাপের চাকরি: সব কটি ম্যাচ দেখার পারিশ্রমিক ৬১ লাখ টাকা
বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই। এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী এক চাকরির বিজ্ঞাপন আলোচনায় উঠে এসেছে।
বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই। এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী এক চাকরির বিজ্ঞাপন আলোচনায় উঠে এসেছে।
মিজানুর রহমান আজহারী, ডা. তাসনিম জারা ও ডা. জাহাঙ্গীর কবীরের ডিপফেক ভিডিও বানিয়ে ভুয়া বিজ্ঞাপন তৈরি করে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি।
ভিডিও গেমে দক্ষ তরুণদের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার হিসেবে নিয়োগ করতে যুক্তরাষ্ট্রের এফএএ নতুন বিজ্ঞাপন দিয়েছে। গেমিং দক্ষতাকে পেশার সঙ্গে যুক্ত করে জনবলসংকট মোকাবিলার চেষ্টা চলছে। এই পদে তিন বছর অভিজ্ঞতায় বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলার সম্ভব।
গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ভার্টিক্যাল ট্যাব যুক্ত করেছে, যা একাধিক ট্যাব সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে। এছাড়া রিডিং মোড হালনাগাদ করে বিজ্ঞাপন কমিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা উন্নত করেছে। ব্যবহারকারীরা সহজেই এই সুবিধাগুলো চালু করতে পারবেন।
এখনো তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়নি, কিন্তু এ বিতর্ক ইতিমধ্যেই বিজ্ঞাপন বাজারে বড় ধাক্কা দিয়েছে, তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।
সেখানে লেখা, ‘যদি ফ্যাসিস্ট দিয়ে ভালো কিছু হয়, তবে ফ্যাসিস্টই ভালো। ছবিটি দেখে মনে হতে পারে এটা কোনো বিজ্ঞাপন বা কোনো একটি প্রচারণার অংশ।
সব সরকারের আমলেই পত্রিকাটি থাকে সরকারের অপছন্দের তালিকায়, মুক্তকণ্ঠ সরকারি বিজ্ঞাপন পায় না, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রবেশ বঞ্চিত থাকে। কারণ, মুক্তকণ্ঠ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করে।
অনলাইনে চাকরির লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন বরিশালের তরুণরা। বিমানবন্দরে বা এনজিওতে চাকরির প্রলোভনে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আইনি সহায়তা পেতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।
অনেকে মনে করেন, গুগলের সার্চ তালিকার শীর্ষে থাকা ওয়েবসাইটই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। কিন্তু তা সব সময় সত্য নয়। স্পনসরড বিজ্ঞাপনের ছদ্মবেশে সাইবার প্রতারকেরা ভুয়া ওয়েবসাইট দিয়ে ব্যবহারকারীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে পারে।
মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে লোক পাঠানোর নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় চটকদার ও ভুয়া বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে উল্লেখ করেন নুরুল হক।
সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬-এর মাধ্যমে সাইবার মাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ বা বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
চটকদার বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে চীনের বাওজি শহরের এক বৃদ্ধের ১২টি দাঁত উপড়ে ফেলল একটি ডেন্টাল ক্লিনিক, যার ফলে তিনি শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।