জর্ডান, কাতারসহ আরব দেশগুলোতে মার্কিন স্থাপনায় পাল্টা হামলার দাবি ইরানের
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানালেও জর্ডান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানালেও জর্ডান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া এক রাতে রেকর্ডসংখ্যক ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ইরানি নৌকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, মহাকাশ যুদ্ধ ও ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাসংবলিত বেশ কয়েকটা ছবি দিয়েছেন।
পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
ইসরায়েলে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন কমছে, বিশেষ করে ইহুদিদের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, দ্রুত যুদ্ধবিরতির দাবি বাড়ছে এবং ইরানের শাসন উৎখাতের আশা কমেছে। জনগণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও দীর্ঘ যুদ্ধে ক্লান্ত।
ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চরম যুদ্ধ ছড়াতে পারে। কুয়েত, বাহরাইনসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত।
ইরানের সাইবার হামলায় ইসরায়েলি নাগরিকদের ফোনে স্পাইওয়্যার ঢোকানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়। এআই-চালিত ডিপফেক ও হাজার হাজার আক্রমণ চলছে যুদ্ধের ছায়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সাইবার যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ অধ্যায়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আল–জাজিরার সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যেকোনো মূল্যে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জিত হবে। ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে জোট পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলো ইরাকের ভূমি থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে চলেছে। এতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ছয় আরব দেশ যৌথভাবে নিন্দা জানিয়েছে এবং ইরাক সরকারকে দায়ী করেছে। ফলে ইরাকের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরছে।