দৃষ্টির জন্ম হয়
তোমাকে চেনা যদি জ্ঞান না হয়, তোমাকে ভালোবাসা ছাড়া প্রজ্ঞাও নেই কোনো।
তোমাকে চেনা যদি জ্ঞান না হয়, তোমাকে ভালোবাসা ছাড়া প্রজ্ঞাও নেই কোনো।
সীমার ভেতরে বসা অসীম ক্ষমতাধর রাজন্য ও পারিষদ নানা মন্ত্র জপে যায় শীর্ষাসনে সমাসীন সুদূরের ভিন্নতর কানে।
সূর্য এখন প্রখর ভীষণ কাঠফাটা রোদ আগুন ঝরায়, চিলেকোঠার জিনিসগুলো ছাদ–আঙিনায় রোদের অপেক্ষায়।
দিনভর হালুয়া রুটির খোঁজে মানুষজন আসত আমাদের গরিব কলোনিগুলোর বাসায় বাসায়
তোমার দেহাতি অবয়ব সুপ্রাচীন দেয়ালের মতো, আদিম বৃক্ষের মতো স্থির,
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে
বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে
কত বঞ্চনা তবুও করি তার বন্দনা আমি নই পণ্য, তুমি চতুর তুমি শিকারি
হাত ধরে হেঁটে গিয়ে এই শীতে কুয়াশা রুমাল ওড়ানোর কথা ছিল
নব্য নগদ আয়তনের ভারে অথবা ধারে ফালা ফালা দেহবৃক্ষ—
শীত এলে পিঠা আর কুয়াশার ঘ্রাণ নদীতীর, বক পাখি, ভোরের উড়ান
তার জ্বলন্ত লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে মানুষ এই বেইনসাফের রাস্তায় কবিতার মতো হেঁটেছিল হাদি