তিন মাস পরও কেন ব্যবস্থাপনার ঘাটতি
টিকা দেওয়ার পরও হামের সংক্রমণ থেমে নেই। মার্চ মাসে দেশে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০০ পেরিয়েছে, যার ৮০ শতাংশের বয়সই পাঁচ বছরের নিচে।
টিকা দেওয়ার পরও হামের সংক্রমণ থেমে নেই। মার্চ মাসে দেশে প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬০০ পেরিয়েছে, যার ৮০ শতাংশের বয়সই পাঁচ বছরের নিচে।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২টি হামে নিশ্চিত এবং ৭২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ২ বছর বয়সী শিশু চাঁনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার জীবননাশ হয়। এর আগেও একই হাসপাতালে ঝিনাইদহের শিশু শামীমওর মৃত্যু ঘটে।
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট ১২ জনের মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছর ১ হাজার ৮০ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মঙ্গলবার হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশু ভর্তি হয়েছে, আগের দিন ১২ জন। বর্তমানে ৩৭ শিশু চিকিৎসাধীন, মূলত মহেশখালী, রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকার। চলতি মাসে মার্চে ১০৮ শিশু ভর্তি হয়েছে।
চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থেকে আনা ৯ মাসের কম বয়সী আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে দুই শিশুর মৃত্যু। জেলায় হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ রোগী।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত এই রোগে মোট ২৩ শিশুর জীবনহানি ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃক টিকাদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চার শিশুর হামে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। এই সময়ে ৭৬২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১৫০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৫ হাজার ১৯৮ শিশু।