স্বপ্ন নিয়ে প্রথম বিশ্বকাপে
কিছু দেশের জন্য বিশ্বকাপে খেলাটা একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা, কিছু দেশের জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাড়া করে বেড়ানো এক সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা।
কিছু দেশের জন্য বিশ্বকাপে খেলাটা একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা, কিছু দেশের জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাড়া করে বেড়ানো এক সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা।
ইলন মাস্ক মঙ্গল গ্রহে শহর গড়ার স্বপ্নের জন্য ওপেনএআইয়ের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চেয়েছিলেন বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন গ্রেগ ব্রকম্যান। ক্যালিফোর্নিয়া আদালতে চলমান মামলায় ওপেনএআই ২০২৬ সালে কম্পিউটিংয়ে ৫ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা জানিয়েছে। মাস্ক ১৫ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
১৪ বছর পর এভারেস্ট অভিযানে যাচ্ছেন বাংলাদেশি নারী পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। ১১ এপ্রিল রওনা দেবেন নেপালের উদ্দেশে। পূবালী ব্যাংকের স্পনসরশিপে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
সারা দেশ থেকে গতকাল ১ হাজার ১৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে জাতীয় গণিত উৎসবে।
টঙ্গীর আর্চারির প্রশিক্ষণ একাডেমির মাঠে অনেকটা আলো-আঁধারি পরিবেশেই পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এবারের জাতীয় আর্চারি।
বাংলাদেশের অটো বাজারে চেরি ব্র্যান্ড নিয়ে এশিয়ান মটরসপেক্সের বড় পরিকল্পনা। বিক্রয় প্রধান আবু নাসের মাহমুদ বলেছেন, টিগো সিরিজের সাড়া অবিশ্বাস্য এবং আগামী পাঁচ বছরে নতুন ইভি-হাইব্রিড মডেল আনবেন। স্থানীয় সংযোজন, সার্ভিস নেটওয়ার্ক বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে কোম্পানি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফ্রান্স ও সুইডেন মুখোমুখি হয়। এই খেলা মাঠে বসে স্ত্রী, বন্ধুরাসহ উপভোগ করেছেন নোবেল।
মুক্তকণ্ঠ চর আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী মোছা. হাফছা খাতুন চরাঞ্চলের প্রতিকূলতা জয় করে ডাক্তার হয়ে দরিদ্র মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখছেন। তার নিষ্ঠা ও পরিশ্রম এলাকায় অনেকের জন্য অনুপ্রেরণা। সকলে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করছেন।
কমনওয়েলথের শিক্ষার্থীরা কুইনস কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ইংল্যান্ড ভ্রমণ ও রাজকীয় পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। জুনিয়র ও সিনিয়র ক্যাটাগরিতে রচনা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২৬। বিজয়ীরা লন্ডনের রয়্যাল প্যালেসে পুরস্কার গ্রহণ করবেন।
হতদরিদ্র পরিবারের ১০ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র উসাখয় মারমা পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সমাজ-রাষ্ট্রের মুখ উজ্জ্বল করার অদম্য ইচ্ছায় তিনি এগিয়ে চলেছেন। অশিক্ষিত কৃষক পরিবারে বেড়ে উঠে রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি।
ইচ্ছা আর সঠিক পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো বাঁধাই টপকানো সম্ভব—তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মদনপুরের ক্ষুদে শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন। বর্তমানে সে মদনপুর আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির একজন অত্যন্ত মেধাবী ও নিয়মিত ছাত্র। ভবিষ্যতে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার (প্রকৌশলী) হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করাই এখন আরিফের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আরিফের বাবা হেলাল মিয়া পেশায় একজন চৌকিদার।
আইইউবির এমবিএ ও ইএমবিএ প্রোগ্রামের রয়েছে এসিবিএসপি ও এএসিএসিবির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, যা একটি বাড়তি আস্থার জায়গা।