বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: সাময়িক উত্তেজনা বনাম দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাময়িক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের ভারসাম্য নিয়ে অধ্যাপক গোলাম রসুলের একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধ।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাময়িক রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের ভারসাম্য নিয়ে অধ্যাপক গোলাম রসুলের একটি বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধ।
শেখ হাসিনা ভারত থেকে ‘ফিরতে’ চান বলে যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার পেছনে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও কাজ করতে পারে বলে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ধারাবাহিকতা, সীমান্ত পরিস্থিতি, নদিপ্রশ্ন ও কূটনৈতিক আলাপ–আলোচনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশের নতুন প্রেস অফিসারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত দিল্লি।
তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলতে সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আসার কথা ভারত ক্রিকেট দলের।
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে একটি জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সাম্য, ন্যায্যতা ও মর্যাদাপূর্ণ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা এখন সবচেয়ে কঠিন এবং জরুরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এটা কোনো গোপন কথা নয় যে বাংলাদেশে ভারতবিরোধিতা এখন বেশ তুঙ্গে। আবার ভারতে বাংলাদেশের জন্য সৌহার্দ্যের বন্যা বইছে, এমন কথাও বলা যাবে না।
বাংলাদেশে নির্বাচনের পর সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভারতের সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাদ্বন্দ্ব এবং আস্থার ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগকে নতুন জটিলতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুই দেশের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে নতুন সূচনার কথা বলেন এবং পলাতক অপরাধীদের ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানান।
দিল্লিতে শেখ হাসিনার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, শিল্পকলা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সেতুবন্ধন। উত্তরার গ্যালারি কায়ায় ‘ক্রসরোড...নট আ প্রজেক্ট’ প্রদর্শনীর উদ্বোধনে তিনি শিল্পবিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ও ভারত ভিসা কার্যক্রম আবার চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পর থেকে স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রক্রিয়া ভারত সক্রিয় করছে। ভারত কোনো দলের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সমর্থন করেনি, সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। শেখ হাসিনার দিল্লি অবস্থান এই সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না।