নদী পুনঃখননই প্রয়োজন, খাল খনন নয়
খাল খনন নয়, মৃত নদী পুনঃখননই বাংলাদেশের প্রকৃতি রক্ষায় দরকার। ১৯৭০-৮০ দশকে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চলা সেই মহাকর্মসূচির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। নদীকে খাল বলে চিহ্নিত করা অন্যায় ও অযৌক্তিক।
খাল খনন নয়, মৃত নদী পুনঃখননই বাংলাদেশের প্রকৃতি রক্ষায় দরকার। ১৯৭০-৮০ দশকে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চলা সেই মহাকর্মসূচির অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। নদীকে খাল বলে চিহ্নিত করা অন্যায় ও অযৌক্তিক।
বাংলাদেশকে আমরা নদীমাতৃক দেশ বলি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নদীমাতৃক দেশের নদী ও খালের নেটওয়ার্কই আজ সবচেয়ে বেশি সংকুচিত।
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিস্তার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য জড়িত এবং জনগণ যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায় সেজন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন ২০১৩–এর সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে এই কমিশন নদী সুরক্ষায় কোনো কাজই করতে পারছে না।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। একসময় দেশের গ্রামাঞ্চলে কৃষি, মৎস্য এবং গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান প্রাণশক্তি ছিল অসংখ্য খাল। এই খালগুলো সেচের পানি সরবরাহ করত, মাছ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করত এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে জলপথ যোগাযোগও বজায় রাখত।
পদযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানান।
খাল খননের বিষয়ে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখিয়ে যাওয়া পথ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও অনুসরণ করছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রকল্পগুলো বাংলাদেশের নদী রক্ষায় সহায়ক নাকি প্রধান প্রতিবন্ধক? বড়াল নদীর অবমুক্তকরণ নিয়ে স্লুইসগেট অপসারণের দাবি, কমিটির সুপারিশ এবং পাউবোর অবস্থান বিশ্লেষণ করেছেন নজরুল ইসলাম এই দ্বিতীয় ও শেষ পর্বে। বেড়িবাঁধের ক্ষতিকর প্রভাব এবং সমাধানের পথ তুলে ধরেছেন লেখক।
১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (পাউবো) প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ইংরেজিতে ‘ইপিওয়াপদা’।
চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে পড়ে ধান ও চালবোঝাই একটি কার্গো জাহাজ উল্টে গেছে। আজ বুধবার সকালে পুরান বাজার ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সরকার আন্তসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে চুক্তি পর্যালোচনা করছে।
বংশী নদী—যে নদী একসময় খরস্রোতা ছিল, আজ প্রায় মৃত। বর্ষা ছাড়া সেখানে স্রোত নেই, অনেক জায়গায় হেঁটেই পার হওয়া যায়।