বয়স্ক ব্যক্তিদের মতো ছোটদেরও কিডনির অনেক রকম সমস্যা হতে পারে।

কেন হয়

জন্মগত ত্রুটি, যেমন কিডনি তৈরি না হওয়া, কিডনি ছোট বা অস্বাভাবিক, কিডনিতে সিস্ট।

বংশগত কিডনি সমস্যা।

কিডনিতে প্রদাহ (গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস)।

মূত্রনালির সংক্রমণ, কিডনিতে ক্ষত।

এসব রোগ কখনো কখনো সামগ্রিকভাবে কিডনি অকার্যকর করে দিতে পারে।

মূত্রনালিতে ঘন ঘন সংক্রমণ।

মূত্রনালিতে জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধকতা।

প্রস্রাব করার সময় বেরোনোর বদলে উল্টো কিডনির দিকে ফিরে যায়। কিডনি ফুলে যায়।

পরিবারে বংশগত কিডনির সমস্যা।

গর্ভাবস্থায় মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ।

প্রিম্যাচিউর বা জন্মের সময় কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশু।

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা লুপাস রোগী।

শরীরের ওজন অনেক বেশি বা স্থূলকায়।

পানি কম খাওয়ার অভ্যাস।

দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ সেবন।

প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ না–ও থাকতে পারে। তবে নিচের যেকোনো উপসর্গ কিডনি রোগের উপস্থিতি নির্দেশ করে। যেমন:

মুখ, চোখের পাতা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া

লালচে প্রস্রাব

রক্তস্বল্পতা

অতিরিক্ত ক্লান্তি

প্রস্রাব কম বা বেশি বেশি হওয়া

বমি

উচ্চ রক্তচাপ

চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়ালাইসিসও লাগতে পারে।