ফেনীর দাগনভূঞায় এক মর্মান্তিক ঘটনায় মেয়ের বটির কোপে সেতারা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ডেউলিয়া গ্রামের বাদশা মিয়ার বাড়িতে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।
তদন্তকারী পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ডেউলিয়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে রিনা আক্তার রানু (৩৮) দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঘটনার দিন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে নতুন কিছু ওষুধ প্রদান করেন। রাতে সেই ওষুধ খাওয়ানোর সময় আচমকাই তিনি তার মা সেতারা বেগমকে ধারালো বটি দিয়ে গলা ও পায়ে কোপ দেন। এই ভয়াবহ আঘাতের ফলে ঘটনাস্থলেই ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত রিনা ঘরের ভেতর থেকে দরজা আটকে দিয়ে নিজেকে অবরুদ্ধ করেন। পরে দাগনভূঞা থানা-পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটিটি জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্ত রিনাকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”