পানি পেলে এসব ফুলে ওঠে। পাইপের ভেতরে আটকে গিয়ে সহজেই ব্লক তৈরি করে।
পানির সঙ্গে মিশে ময়দা আঠালো হয়ে যায়। ধীরে ধীরে পাইপের ভেতরে আস্তরণ তৈরি করে।
অত্যন্ত আঠালো হওয়ায় মধু অন্য ময়লা আটকে দেয়। অনেক সময় এটি জমেও যায়।
রান্নার তেল, মাখন, ক্রিম—এসব জমে শক্ত হয়ে পাইপ বন্ধ করে দেয়। এসবই প্লাম্বারদের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা।
ছোট হলেও এসব পানিতে গলে না। আঠা পাইপের গায়ে লেগে ব্লক তৈরি করে।
তরল মনে হলেও কাস্টার্ড পাইপের ভেতরে প্রলেপ তৈরি করতে পারে।
রং, থিনার, তেল, শক্ত ক্লিনার—এসব পানি শোধনাগারে ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। পরিবেশেরও ক্ষতি করে।
পানিতে গেলেও পরে একসঙ্গে জমে পাইপের বাঁকে আটকে যায়।
খোসার ধারালো টুকরা অন্য ময়লা জড়ো করে ড্রেন আটকে দেয়।
সঙ্গে সঙ্গে গরম পানি ছেড়ে দিন
সামান্য ডিশওয়াশ লিকুইড ব্যবহার করতে পারেন
ঠান্ডা পানি দেবেন না, এতে তেল দ্রুত জমে যায়
শক্ত রাসায়নিক ক্লিনার ব্যবহার না করাই ভালো
সপ্তাহে একবার সাদা ভিনেগার ১ কাপ ঢেলে ৩০ মিনিট রেখে গরম পানি দিন
চাইলে বেকিং সোডা ও ভিনেগার একসঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন
গরম পানি ঢালার আগে পাইপের ধরন (প্লাস্টিক/ধাতব) মাথায় রাখুন
অনেকে ভাবেন, সিঙ্কে না ফেললে টয়লেটে ফেলা যায়। কিন্তু খাবারের উচ্ছিষ্ট, ওয়েট ওয়াইপ, স্যানিটারি পণ্য, তুলা—এসব টয়লেটেও ভয়ংকর ব্লক তৈরি করে।
রান্নাঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে একটু অসতর্ক হলেই বড় ঝামেলা তৈরি হতে পারে। সিঙ্ক বা টয়লেট ব্যবহার করার আগে একবার ভাবুন, এটা কি সত্যিই সেখানে যাওয়ার জিনিস? এই ছোট সচেতনতা আপনাকে বাঁচাতে পারে বড় খরচ আর অযথা ভোগান্তি থেকে।
সূত্র: সাগা






