ভোজনরসিকদের জন্য পটোল চিংড়ির দোলমা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রাজকীয় পদ। ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায় এই জিভে জল আনা রেসিপিটি।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:
পটোল ৮–১০টি, কুচো চিংড়ি ২০০ গ্রাম, মাঝারি চিংড়ি ২০–২৫টি, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা–চামচ, রসুনবাটা আধা চা–চামচ, কাঁচা মরিচকুচি ২টি, হলুদ আধা চা–চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা–চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা–চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা–চামচ, লবণ স্বাদমতো, ধনেপাতাকুচি এক টেবিল চামচ, শর্ষের তেল ৪ টেবিল চামচ, গরমমসলা ১ চা–চামচের চার ভাগের এক ভাগ, কাজুবাদাম ১০টি এবং পোস্তদানা ও সাদা শর্ষে ১ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে কুচো চিংড়ি লেজ ও মাথা ফেলে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এরপর কাজুবাদাম, পোস্তদানা ও শর্ষে ভিজিয়ে রেখে মিহি করে বেটে নিন।

একটি কড়াইয়ে ১ টেবিল চামচ তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভাজুন। এতে আদা-রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ, হলুদ, সামান্য মরিচ, কাজু পেস্ট ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এবার এতে চিংড়ি দিয়ে দিন। তবে মনে রাখবেন, চিংড়ি ২–৩ মিনিটের বেশি কষাবেন না, অন্যথায় পুর শক্ত হয়ে যেতে পারে। সবশেষে সামান্য গরমমসলা মিশিয়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে পুর প্রস্তুত করুন।

অন্যদিকে, পটোলের দুই মাথা সামান্য কেটে খোসা হালকা চেঁছে নিন। একটি সরু চামচ ব্যবহার করে পটোলের ভেতরের বীজ ও নরম অংশ বের করে ফাপা করে নিন। এবার এই ফাপা জায়গায় আগে থেকে তৈরি করে রাখা চিংড়ির পুর ভরে দিন। চাইলে পটোলের ভেতরের অংশটুকু পুর তৈরির সময় ব্যবহার করতে পারেন, এতে স্বাদ আরও বাড়বে।

পুর ভরা পটোলগুলোর দুই মাথা সামান্য চেপে বন্ধ করে তেলে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। একই কড়াইয়ে পেঁয়াজ, আদা-রসুন, হলুদ, জিরা, ধনে ও মরিচ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। সামান্য পানি দিয়ে মসলা থেকে তেল ওঠা পর্যন্ত রান্না করুন। এরপর ভাজা পটোলগুলো সাজিয়ে দেড় কাপ গরম পানি দিন। ঢেকে কম আঁচে ১০–১২ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে চুলা বন্ধ করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু পটোল চিংড়ির দোলমা।