চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম (৫০) বুধবার দুপুরে মারা গেছেন। মিরসরাই পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তারাকাটিয়া এলাকার মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে নুরুল ইসলাম ওই পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মিরসরাই থানা-পুলিশ সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। গত ৩১ আগস্ট ওই মামলায় জামিন পেলেও বের হওয়ার সময় ১ সেপ্টেম্বর আরেকটি মামলায় কারাফটক থেকে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। দুশ্চিন্তা ও মানসিক নিপীড়নের কারণে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন বলে দাবি করেন তার স্ত্রী রোকেয়া আক্তার।

রোকেয়া আক্তার বলেন, ‘রাজনীতি করলেও আমার স্বামী কখনো কারও ক্ষতি করেননি। তিনি এমনিতেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাগারে নিয়ে মানসিক অত্যাচার–নির্যাতনে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বাবাকে হারিয়ে আমার ছোট ছেলেমেয়ে দুটি এতিম হয়ে গেল।’

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলা কারাগারের সুপার ইকবাল হোসেন জানান, ‘আজ দুপুরে নুরুল ইসলাম নামের এক কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে নামাজরত অবস্থায় বুকে ব্যথা উঠলে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’

সংবাদ সংগ্রহকালে কারাগারের একটি সূত্র জানায়, ৩১ আগস্ট জামিনে মুক্তি পেয়ে ১ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে বের হলে আরেকটি মামলায় কারাফটকে গ্রেপ্তার করা হয় নুরুল ইসলামকে। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন।