পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে বগুড়ার নদীগুলোতে পানির স্তর বাড়ছে। তবে বিপদসংকেত এড়িয়ে চলছে। পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ৩৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল নয়টা পর্যন্ত পানি বিপৎসীমার এক দশমিক ৪৬ মিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ছয়টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি সমতল ছিল ১৪ দশমিক ৭৯ মিটার। সকাল ৯টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ৮২ মিটারে। এ নদীতে বিপৎসীমা ১৬ দশমিক ২৫ মিটার।

আগের দিন মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি ছিল ১৪ দশমিক ৫৬ মিটার। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত পানি বেড়েছে ২৩ সেন্টিমিটার। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছিল ১৪ সেন্টিমিটার। গত দুই দিনে যমুনার পানি বেড়েছে ৩৭ সেন্টিমিটার।

যমুনার পাশাপাশি বগুড়ায় বাঙালি নদীর পানিও বাড়ছে। বুধবার সকাল নয়টায় সারিয়াকান্দি পয়েন্টে এ নদীর পানি সমতল ছিল ১১ দশমিক ৭২ মিটার। বাঙালি নদীর বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৩৬ মিটার। একই সময়ে বগুড়া পয়েন্টে করতোয়া নদীর পানি সমতল ছিল ১১ দশমিক ০১ মিটার। করতোয়া নদীর বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮৫ মিটার। মঙ্গলবার সকাল নয়টার তুলনায় বাঙালি নদীর পানি চার সেন্টিমিটার এবং করতোয়া নদীর পানি তিন সেন্টিমিটার বেড়েছে।

বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, "উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে কয়েক দিন ধরে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বাড়ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পানি বাড়ার হার অনেকটা কমে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দু-এক দিনের মধ্যে নদী দুটির পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করবে।"