মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে তারা মিয়া নামের এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মাগুরুলি সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। নিহত তারা মিয়া (২০) একই উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা আবদুল মালেকের ছেলে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে চার থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি অবৈধভাবে মাগুরুলি সীমান্ত দিয়ে ভারতের ৫০০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের মাগুরুলি ক্যাম্পের টহল দল গুলি চালালে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর সহযোগীরা পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।
মাগুরুলি সীমান্ত বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতায় পড়েছে। শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত ওই ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ আজ রোববার সকালে মুঠোফোনে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "নিহত তারা মিয়া চোরাকারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর স্বজনেরাও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তারা মিয়ার লাশ বিএসএফ নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করবে।"
চোরাকারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত তারা মিয়ার বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় মামলা রয়েছে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ জুন উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম গ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মুজিব আলী (২০) নামের এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হন। পরে বিএসএফ স্বজনদের কাছে তাঁর লাশ হস্তান্তর করে। এ ব্যাপারে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের কাছে প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়।