কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক বাংলাদেশি নাগরিক। এই দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী সীমান্তে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নাফ নদীর শূন্যরেখা থেকে আনুমানিক ৭০০ মিটার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ডেকুবুনিয়া এলাকায় বিস্ফোরণটি হয়। আহত ব্যক্তির নাম মো. বদিউল আলম (৪৫), তিনি পালংখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুমেরছড়া এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, "বৃহস্পতিবার সকালে উখিয়ার বালুখালী সীমান্তের নাফ নদীতে বদিউল আলমসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন মাছ ধরতে যান। একপর্যায়ে শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে সেখানে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পুঁতে রাখা মাইন আকস্মিক বিস্ফোরিত হয়। এতে বদিউল আলমের ডান পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের ডান পাশে গুরুতর আঘাত পান।"
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম আরও জানান, ঘটনার পরপরই সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৮ জুলাই নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আব্দুল করিম (৪০) নামের এক যুবক আহত হন। গত এক বছরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে অন্তত ৪ জন নিহত এবং ৩১ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।