হাইকোর্ট রিট খারিজের তথ্য গোপন করার অভিযোগে রিট আবেদনকারী মো. রফিকুল ইসলাম এবং তাঁর আইনজীবী আনোয়ার হোসেনকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে রিট আবেদনকারী রফিকুল ইসলামকে ৫০ লাখ টাকা এবং আইনজীবী আনোয়ার হোসেনকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা কেন করা হবে না, তা জানাতে বলা হয়েছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান জানান, উভয়কে ২৫ আগস্টের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি অর্থঋণ আদালতের একটি আদেশের বৈধতা নিয়ে আমান ট্রেডিং করপোরেশনের পক্ষে রফিকুল ইসলাম রিট করেন। একই আদেশের বৈধতা নিয়ে তিনি আরেকটি রিটও করেন, যা একটি দ্বৈত বেঞ্চে খারিজ হয়।
দ্বিতীয় রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে শুনানি হয়। প্রাইম ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতে তথ্য গোপনের বিষয়টি তুলে ধরেন। গত ২৯ জুলাই শুনানি শেষে আদালত আজ আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তানিম খান জানান, রিট আবেদনকারী ও তাঁর আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "অর্থঋণ আদালতের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে দ্বিতীয় রিটটি করা হয়। একই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আগেও আবেদনকারী একটি রিট করেন, যা খারিজ হয়। এ তথ্য গোপন করা হয়েছে।"
তথ্য গোপনের বিষয়টি আদালতকে অবহিত করেন প্রাইম ব্যাংকের আইনজীবী। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও জানান, আগের রিট খারিজ হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনজীবী জানতেন এবং আদালতের সামনে স্বীকার করেন। আদালত রিট আবেদনকারী ও তাঁর আইনজীবীকে শোকজ (কারণ দর্শানো) করেছেন।