কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে হাবিবুল্লাহ (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় রহস্য তৈরি হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে পান্টি বাজারের ‘হাবিবুল্লাহ স্টিল ফার্নিচার’ দোকানের ভেতরে কাঠের আড়ার সঙ্গে হাবিবুল্লাহর মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

নিহত হাবিবুল্লাহ পান্টি গ্রামের গোলাবাড়ি বাজার এলাকার হামিদ মুসল্লির মেজ ছেলে।

পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাত থেকে হাবিবুল্লাহর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে নিখোঁজ থাকা অবস্থায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি সচল ছিল। ঘটনার সময় তার স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাসন্তান ঝিনাইদহে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, হাবিবুল্লাহ দীর্ঘ সময় সিঙ্গাপুরে অবস্থান করেছিলেন। দেশে ফেরার পর তিনি স্টিল ফার্নিচারের ব্যবসার পাশাপাশি বিদেশে লোক পাঠানোর কারবারে যুক্ত হন। এই ব্যবসার কারণে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

ঘটনা প্রসঙ্গে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "সকালে পান্টি বাজার এলাকার নিজ দোকান থেকে হাবিবুল্লাহ নামের ওই ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"