কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১৩) বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কনের মাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অনাদায়ে তাঁকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার একটি গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমী আক্তার অভিযান চালিয়ে বিয়ের আয়োজনটি বন্ধ করেন।
.ওই সময় কাজি, বরযাত্রী ও মেয়েটির বাবা সেখান থেকে পালিয়ে যান। ওই ছাত্রীর মাকে জরিমানার পাশাপাশি মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করানো হয়েছে।
.রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।মৌসুমী আক্তার, মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
বাল্যবিবাহের বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না বলে দাবি করেছেন কিশোরীটির মা। তিনি বলেন, ‘বিদেশি জামাই ফাইয়া মাইয়াডারে বিয়া দিবার চাইছিলাম। ১৮ বছরের আগে মাইয়ার বিয়ে দেওন যাইতো না, এই কথা হুনি নাই।’
.বাল্যবিবাহকে সামাজিক ব্যাধি ও অপরাধ উল্লেখ করে ইউএনও মৌসুমী আক্তার মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই। জনপ্রতিনিধি, পুলিশ, সাংবাদিক ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।’






