খুলনা নগরের প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার হওয়া কিশোরীর পরিচয় পাওয়া গেছে। ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরী খুলনার ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ত। সে তার পরিবারের সঙ্গে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকায় বসবাস করত।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করতে জনসাধারণের সহায়তা চেয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কিশোরীর মুখাবয়বের তিনটি ছবি প্রকাশ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে গিয়ে কিশোরীর মা আরিফা ইয়াসমিন মরদেহটি শনাক্ত করেন।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, কোথায় ও কীভাবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার একটি সাততলা ভবনের সামনে একটি বড় প্লাস্টিকের বস্তা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। বস্তার এক পাশ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে তাঁরা দ্রুত পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তার ভেতর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে। প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা অন্য কোথাও কিশোরীকে হত্যা করে মরদেহটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ওই স্থানে ফেলে রেখে গেছে।