বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাতরোগের কারণ অজানা। ধারণা করা হয়, এটি শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ভুল–বোঝাবুঝির কারণে সৃষ্ট একটা রোগ। এখানে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা ভুলবশত শরীরের সুস্থ কোষকলার ওপর আক্রমণ করে প্রদাহ ও ক্ষত সৃষ্টি করে। এই রোগের পেছনে কখনো কখনো বংশ, পরিবেশ ও বিভিন্ন রকম জীবাণুর প্রভাবও থাকে।

মেয়েশিশুরা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

যাদের ভাইবোন বা পরিবারের অন্য কেউ বা কোনো নিকটাত্মীয় বাত বা অন্য কোনো ইমিউন রোগে ভুগছেন।

যাদের পরিবারে ধূমপায়ী সদস্য আছে।

যাদের ওজন বেশি।

হাঁটতে সমস্যা।

হাত বা পায়ের গিরার জড়তা, বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এটা বেশি হয়।

অস্বাভাবিক ক্লান্তি, ক্ষুধামান্দ্য।

কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অল্প অল্প জ্বর।

ছোট ছোট গিরায় ব্যথা, কিছুটা ফোলা।

ত্বকে ফুসকুড়ি।

বাতরোগ ভালো হয় না। নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যেহেতু এই রোগের জটিলতা অনেক বেশি, তাই নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা জরুরি।