আপনাকে প্রোগ্রামার হতে হবে না, কোডিংও শিখতে হবে না। তবে এআইকে দিয়ে কীভাবে প্রোগামিং বা কোডিং করিয়ে নেবেন, সেটি জানতেই হবে। চ্যাটজিটিপির মতো টুল থেকে শুরু করে অন্যান্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যাপলিকেশন কীভাবে সমস্যা সমাধানের কাজে লাগানো যায়, তা জানতেই হবে। কেননা এআইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে কীভাবে কাজ করা যায়, এই ধারণা প্রায় সব পেশায়ই জরুরি হয়ে উঠছে। এ ছাড়া যে দক্ষতা আপনার নেই বা শেখার ইচ্ছাও নেই, সেটা কীভাবে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেবেন, তা জানাও একটা গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা।

গল্প বলার দক্ষতা জরুরি। কেননা মানুষ তথ্যের চেয়ে গল্প বেশি মনে রাখেন। গল্পের মাধ্যমে জটিল ভাবনাও সহজ ও জীবন্ত হয়ে ওঠে। এটি যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করে—লেখা, বলা বা প্রেজেন্টেশন—যেখানেই হোক। গল্প মানুষের সঙ্গে মানুষকে যুক্ত করে। গল্প বিশ্বাস গড়তে এবং অন্যকে প্রভাবিত করতে সাহায্য করে।

সবচেয়ে শক্তিশালী স্কিল হলো যেকোনো দক্ষতা কীভাবে আপনি দ্রুত আয়ত্ত করবেন, তা শেখা।

স্বসচেতনতা, সহমর্মিতা ও যোগাযোগদক্ষতার গুরুত্ব আরও বাড়বে। কেননা কাজের জায়গায় অটোমেশন বাড়বে। অন্যদিক মানুষের ক্ষেত্রে মানবিক সংযোগ আরও বেশি করে মূল্যবান হয়ে উঠবে।

বাজেট করা, আয় বুঝে ব্যয়, সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও অর্থের মনস্তত্ত্ব বোঝা—এসব স্থিতিশীল ও স্বাধীন জীবনের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় জীবনদক্ষতা।

স্পষ্টভাবে লেখা, অনলাইনে নিজের ভাবনা তুলে ধরা এবং ইমেইল, ভিডিও বা সামাজিক যোগাযোগমাধ‍্যমে কার্যকর যোগাযোগ—এসবই আধুনিক জীবনযাপনের মৌলিক দক্ষতা।

একটি ঘটনাকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখার সক্ষমতা আপনাকে সব সময় এগিয়ে রাখবে, ইতিবাচক রাখবে। তথ্যের অতিরিক্ত ভিড়ে প্রশ্ন করতে পারা, বিশ্লেষণ করা এবং নিজস্বভাবে চিন্তা করার ক্ষমতাই বুদ্ধিমান মানুষকে সাধারণ তথ্য গ্রহণকারীদের থেকে আলাদা করবে।

পেশা, সময়ের দাবি ও জীবনধারা বারবার বদলাবে। যাঁরা শান্তভাবে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন ও বিপর্যয় সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, এগিয়ে থাকবেন তাঁরাই।

সূত্র: করপোরেট ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট