ভিটামিন ডি সরাসরি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখে। অনেক ইমিউন সেল ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভিটামিন ডির ওপর নির্ভর করে।

ভিটামিন ডির অভাবে শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন ও পেশির দুর্বলতা দেখা দিতে পারে, ফলে ক্লান্ত লাগে।

ভিটামিন ডি সরাসরি পেশিশক্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখে না। তবে পেশিশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করে। ভিটামিন ডির অভাবে পেশির দুর্বলতা ও ক্লান্তি বাড়তে পারে।

তবে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি নেওয়া শরীরের পক্ষে ভালো নয়, বরং এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

সূর্যের আলো

সামুদ্রিক মাছ

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

ডিমের কুসুম

সাপ্লিমেন্ট

ম্যাগনেশিয়াম দেহে শক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাবার থেকে শক্তি তৈরি করতে সহায়ক।

এই খনিজ পেশি ও স্নায়ুর কাজ, ঘুম নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার কার্যকারিতায় সাহায্য করে।

শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি থাকলে খাবার থেকে শক্তি তৈরি হয় কম, ফলে ক্লান্ত লাগে।

বাদাম

বিভিন্ন ধরনের বীজ

ডাল

শাকসবজি

কলা

অ্যাভোকাডো

ডার্ক চকলেট

গমজাত খাবার

শুধু ঘাটতি থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত।

অতিরিক্ত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট কিছু ক্ষেত্রে শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ম্যাগনেশিয়াম নিলে ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ভিটামিন ডি আমাদের ইমিউন সিস্টেম ও পেশি শক্তিশালী করে। ম্যাগনেশিয়াম দেহে শক্তি উৎপাদন করে। স্নায়ু-পেশির কাজ ও ঘুম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। দুটি আলাদা আলাদা কাজ করে, কিন্তু একটি আরেকটির কার্যকারিতা বাড়ায়।

সূত্র: ভেরি ওয়েল হেলথ