নোটিফিকেশন অ্যাংজাইটি মূলত ভয় ও চাপের অনুভূতি। যখন আমরা মনে করি, কেউ আমাদের বার্তা দেখছে না বা আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিস করে যেতে পারি। এটি সাধারণ উদ্বেগের মতোই, তবে এর উৎস ডিজিটাল নোটিফিকেশন। গবেষকেরা দেখেছেন, নোটিফিকেশন অ্যাংজাইটি মূলত ‘ফিয়ার অব মিসিং আউট’ (ফোমো) থেকে উদ্ভূত। যখনই আমরা জানি, আমাদের ফোনে বার্তা, মেইল বা সামাজিক মাধ্যমের নোটিফিকেশন এসেছে, তখন তা দ্রুত দেখার মানসিক চাপ তৈরি হয়।
.মনে করুন, আপনি ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিলেন। দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার মনের ভেতর যে প্রশ্ন জাগল, সেসব অনেকটা এরকম, ‘কে কে আমার স্ট্যাটাসে রিঅ্যাক্ট করেছে’, ‘কে কী রিঅ্যাক্ট করেছে’, ‘কী মন্তব্য করেছে?’, ‘ও এই রিঅ্যাক্ট কেন করল?’, ‘ও কেন এই মন্তব্য লিখল’।
আবার আপনি হয়তো মেসেঞ্জার বা হোয়্যাটসঅ্যাপে অথবা কোনো ডেটিং অ্যাপে কাউকে কোনো মেসেজ পাঠিয়েছেন বা নিছক একটি রিল শেয়ার করেছেন। তারপরই আপনার মনে হয়, ‘ও কেন এখনো আমার মেসেজটা দেখছে না’, ‘ও কেন এখনো রিপ্লাই করল না’।
পাশাপাশি আপনি যাঁকে মেসেজ পাঠিয়েছেন, তার অ্যাকটিভিটি চেক করেন। খেয়াল করেন সে কিছুক্ষণ আগেও অ্যাকটিভ ছিল; কিন্তু আপনার মেসেজ চেক করেনি।
তখন আপনার মনে হয়, ‘সে কি আমাকে ইচ্ছা করে পাত্তা দিচ্ছে না?’ আপনি নিজের অজান্তেই মানুষকে ‘যে যত দ্রুত রিপ্লাই দেয়, সে আপনাকে তত গুরুত্ব দেয়’ সেই হিসাবে বিচার করতে শুরু করেন। যা একদম ভুল।
আর এসব ঘিরে আপনার মনের ভেতর যে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা তৈরি হয়, যা আপনার স্বাভাবিক কাজ বা চিন্তাকে বাধাগ্রস্ত করে, এক কথায় সেটিই নোটিফিকেশন অ্যাংজাইটি।
.দই খেয়ে পানি খেলে কি ক্ষতি হয়?.১. অনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ব্যবহার: বারবার সামাজিক মাধ্যমের অ্যাপ বা ই–মেইলে লগইন করা। বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরে যাওয়া। এভাবে নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই প্রযুক্তির হাতে সঁপে দেওয়া।
.২. সামাজিক চাপ: অন্যে দ্রুত উত্তর দিচ্ছে বা পাচ্ছে; আর আমি পিছিয়ে যাচ্ছি—এমন অনুভূতি। অথবা অন্যে এই তথ্য জানছে, নতুন ট্রেন্ড জানছে, সেই তুলনায় পিছিয়ে পড়ার ভয়।
সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদমই এমন যে সেখানে নেতিবাচক খবর খুবই দ্রুত ছড়ায়। চারপাশে ঘটা নেতিবাচক ঘটনা, খবর এবং ভুয়া তথ্যও আপনার ভেতর প্রতিনিয়ত উদ্বেগ আর মানসিক চাপ তৈরি করে। (একবার ভাবুন তো, যে তথ্য আপনার কোনো প্রয়োজন নেই, সেটি আপনাকে কেন জানতেই হবে?)
৩. কাজের চাপ: অফিস বা স্কুল–সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিস হওয়ার ভয়।
.এই তরুণী জীবনের খুঁটিনাটি সব স্মৃতি মনে করতে পারেন, তবে সমস্যাও আছে.অস্থিরতা
ডুমস্ক্রলিং
বারবার ফোন চেক করা
প্রতিটি ভাইব্রেশন বা শব্দে আতঙ্ক অনুভব করা
শান্তভাবে কাজ করতে না পারা
ঘুমের ব্যাঘাত বা ঘুম কম হওয়া
হীনম্মন্যতায় ভোগা
মাথাব্যথা, চোখের চাপ, ঘুম কম হওয়া
উদ্বেগ, চরম মানসিক চাপ
মনোযোগ কমে যাওয়া ও কর্মক্ষমতা হ্রাস
স্বাভাবিক জীবন বাধাগ্রস্ত হওয়া
এসব লক্ষণের অন্তত তিনটি বা তার বেশি যদি আপনার ভেতরে থাকে, তাহলে এখনই সতর্ক হোন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সূত্র: মিডিয়াম
.সুইজারল্যান্ডে প্রতি ৭ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১ জন কোটিপতি, ধনী হওয়ার সুইস সূত্রগুলো জানুন





